চল্লিশে বাংলাদেশ : ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হল

baitul_mukarram_dhaka
ছবির ক্যাপশান, বাইতুল মোকাররম : বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ

১৯৮৮ সালের ৭ই জুন বাংলাদেশের সংসদে সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী পাশ হয়। সংবিধানের পাঁচটি ধারায় তখন সংশোধনী আনা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামের স্বীকৃতি।

১৯৭২ সালে বাংলাদেশে যে সংবিধান প্রণীত হয়েছিল সেখানে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলা ছিল, কিন্তু নতুন সংশোধনীতে তার জায়গায় রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলাম এসেছিল।

সামরিক শাসক এইচ এম এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি তখন ক্ষমতায়। তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের উপ-প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমেদ বলছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতির চিন্তা থেকেই রাষ্ট্রধর্মের বিষয়টি এসেছিল৻

general_ershad

ছবির উৎস, wiki

ছবির ক্যাপশান, প্রেসিডেন্টের পদে তখন জেনারেল এরশাদ

১৯৮৮ সালে যে নির্বাচন হয়েছিল সেখানে তৎকালীন প্রধান দুই রাজনৈতিক দল নির্বাচন বর্জন করেছিল। সংবিধানের এই সংশোধনীর উদ্যোগ যখন নেওয়া হয় ততদিনে তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আন্দোলন জোরদার হয়েছিল।

তৎকালীন আওয়ামীগ নেতা ড: কামাল হোসেন এটিকে ক্ষমতাসীনদের একটি রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেন৻

যেদিন সংসদে এই সংশোধনী পাশ হয়েছিল তার আগে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমেদ সংসদে এই নিয়ে একটি দীর্ঘ বক্তৃতা দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ব্যাখ্যা করেন ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেবার যৌক্তিকতা কোথায় ছিল।

কাজী জাফর আহমেদ দাবী করছেন কোনও রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে নয় বরং মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির কথা চিন্তা করেই এটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়৻

চল্লিশে বাংলাদেশের এদিনের পর্বটি পরিবেশন করেছেন আকবর হোসেন