আজ মঙ্গলবার যা যা হলো:
- বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠাবেন যেন নির্বাচন কমিশন আগামী রমজানের আগে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। তিনি মঙ্গলবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে এ কথা বলেন। ‘জুলাই গণঅভুত্থান দিবস’ উপলক্ষে তিনি এ ভাষণ দেন।
- এর আগে বিকেলে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করে বলেছেন ‘ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কার করা সংবিধানের তফসিলে এ জুলাই ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা মারা গেছেন, তাদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করা হয়েছে ঘোষণাপত্রে।
- আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপি বলেছে, তারা মনে করে, এ ঘোষণায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং নির্বাচন নিয়ে যাদের মধ্যে দোদুল্যমানতা ছিলো সেটি কেটে যাবে। তিনি একই সাথে প্রধান উপদেষ্টা যে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেছেন তাকেও স্বাগত জানিয়েছেন।
- জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। যদিও নির্বাচনের সময়সীমার ব্যাপারে তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ''জুলাইপত্রে যেভাবে বিষয়গুলো আনা হয়েছে, তাতে আমরা সন্তুষ্ট নই, আমরা হতাশ। কারণ আমাদের অনেক প্রস্তাব সেখানে রাখা হয়নি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে একাত্তরের দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের ছবিগুলো সরিয়ে নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ইসলামী ছাত্র শিবির টিএসসির মাঠে এসব ছবির প্রদর্শনী করছিলো। এতে যুদ্ধাপরাধের দায়ে শাস্তি পাওয়া কয়েকজনের থাকায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হলে প্রশাসন ছবিগুলো সরিয়ে নেয়।
- ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে বলে স্থানীয় গ্রামবাসী বিবিসিকে জানিয়েছেন। উত্তরকাশীর প্রশাসন দাবি করেছে, এখন পর্যন্ত চার জনের মৃত্যু এবং কিছু সম্পত্তি ধ্বংস হয়েছে। বহু মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে রয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
বিবিসি বাংলার লাইভ পাতাটি আজকের মতো এখানেই শেষ হলো।
নতুন খবর নিয়ে বুধবার আবার লাইভ পাতা চালু হবে।
বিবিসি বাংলার আরো খবর রয়েছে আমাদের মুলপাতায়




















