রাষ্ট্র সংস্কারের ছয়টি কমিশন, কাজ শুরু অক্টোবরে: অধ্যাপক ইউনূস
অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মাঠ প্রশাসনকে জনবান্ধব, দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক ভাবে গড়ে তোলার জন্য সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।একই সাথে জুলাই গণঅভ্যত্থানের বার্তাকে প্রতিফলিত করতে সাংবিধানিক সংস্কারের প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।
দায়িত্ব নেয়ার এক মাস পর বুধবার জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে এ কথা জানান অধ্যাপক ইউনূস।
দীর্ঘ আধাঘণ্টার এই ভাষণে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।
গত পনেরো বছরেরও বেশি সময়ে দেশের প্রশাসন, অর্থনৈতিক খাত কিংবা বিভিন্ন জায়গায় যে সব সংকট তৈরি হয়েছে সেগুলোর কথা তুলে ধরেন তিনি।
এর পাশাপাশি এই সংকট নিরসনে সরকারের নেয়া নানা উদ্যোগ ও ভবিষ্যত সংস্কার পরিকল্পনার কথাও জানান নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, বিভিন্নবিষয়ে সংস্কারে ছয়টি কমিশন গঠন করে ছয়জন বিশিষ্ট নাগরিককেএই কমিশনগুলি পরিচালিনা করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
এ জন্য দেশের নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বদিউল আলম মজুমদারকে, পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশনে সরফ রাজ হোসেন, বিচারবিভাগ সংস্কারের দায়িত্ব পালন করবেন বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান, দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে থাকছেন ড. ইফতেখারুজ্জামান, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী এবংসংবিধান সংস্কারকমিশনের দায়িত্ব থাকছে ড. শাহদীন মালিকের হাতে।
এসবকমিশন প্রধানরা পূর্ণাঙ্গভাবেগঠিত হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী পহেলা অক্টোবর থেকে কাজ শুরু করবে।
এবং তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।
কমিশনেররিপোর্টের ভিত্তিতে সরকার পরবর্তী পর্যায়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে পরামর্শসভারআয়োজন করবে। চূড়ান্ত পর্যায়ে ছাত্র সমাজ, নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দলেরপ্রতিনিধি, সরকারের প্রতিনিধি নিয়ে ব্যাপকভিত্তিকতিন থেকে সাত দিনব্যাপী একটি পরামর্শসভার ভিত্তিতেসংস্কার ভাবনার রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে বলেও ভাষণে জানান প্রধান উপদেষ্টা।









