গোপালগঞ্জে চার জনের মৃত্যুর দায় সরকার এড়াতে পারে না: আইন ও সালিশ কেন্দ্র

গোপালগঞ্জে এনসিপির কর্মসূচি ঘিরে হামলা, সংঘর্ষে চার জনের মৃত্যুর দায় সরকার এড়াতে পারে না: আইন ও সালিশ কেন্দ্র । এদিকে, কারফিউর মেয়াদ বাড়ায় বৃহস্পতিবার রাতেও গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি একেবারেই নীরব, সুনসান। গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনী আত্মরক্ষার্থে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

সরাসরি কভারেজ

  1. বৃহস্পতিবার সারাদিন যা যা হলো

    • গোপালগঞ্জে বুধবার সংঘটিত সহিংসতার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। কমিটিকে দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
    • গোপালগঞ্জে চার জনের মৃত্যুর দায় সরকার এড়াতে পারে না: আইন ও সালিশ কেন্দ্র
    • জাতীয় নাগরিক পার্টির কর্মসূচিকে ঘিরে গোপালগঞ্জে যে সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে, সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা ‘ভালো’ ছিল বলে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
    • গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনী আত্মরক্ষার্থে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
    • গোপালগঞ্জে গতকাল বুধবার রাত রাত ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলমান কারফিউ আগামীকাল (১৮ জুলাই) সকাল ১১টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
    • বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ রাজধানীর নয়াপল্টনে এক সমাবেশে বলেছেন, "আমরা জুলাই ছাত্র গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত করেছিলাম ডেমোক্রেসির জন্য। আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি সারা বাংলাদেশে মবোক্রেসির রাজত্ব হচ্ছে। চেয়েছিলাম ডেমেক্রোসি, হয়ে যাচ্ছে মবোক্রেসি। কিন্তু কেন?"
    • গোপালগঞ্জের বুধবারের পরিস্থিতির জন্য সরকার ও প্রশাসনকে দায়ী করছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা নাহিদ ইসলাম। শিগগিরই আবার গোপালগঞ্জে যাওয়ার ঘোষণা এনসিপির।
    • যারা অন্যায় করছে তারা গ্রেফতার হবে, কাউকে ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। যৌথ অভিযানে ২০ জনকে আটকের তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।

    বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায় সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ। আরও খবর ও বিশ্লেষণ জানতে চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার মূল পাতায়।

  2. কারফিউর মেয়াদ বাড়ায় রাতে গোপালগঞ্জে সুনসান নিরবতা

    গোপালগঞ্জের বৃহস্পতিবার রাতের পরিস্থিতি

    ছবির উৎস, Sardar Ronie

    ছবির ক্যাপশান, কারফিউর মেয়াদ বাড়ায় রাতে গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি একেবারেই শান্ত রয়েছে

    কারফিউর মেয়াদ বাড়ায় আজ বৃহস্পতিবার রাতেও গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি একেবারেই নীরব, সুনসান। রাস্তায় নেই মানুষের সমাগম, টহল দিচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

    কারফিউর কারণে গতকাল বুধবার গোপালগঞ্জ থেকে দূরপাল্লার বাস ছেড়েছে খুবই অল্প। ফলে আজ যারা ওই শহর ছেড়ে নিজস্ব গন্তব্যে যেতে চাইছেন তাদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।

    রাতে খুলনাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে যে বাসগুলো যাচ্ছে, সেগুলোয় বাড়তি ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করছেন মানুষ।

    এদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় দুই একটি দোকান খুললেও নেই তেমন একটা জনসমাগম। তবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়ি দেখলেই বন্ধ করে ফেলা হচ্ছে এসব দোকানগুলো।

    গোপালগঞ্জে গতকাল বুধবার রাত রাত আটটা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত চলমান কারফিউ আগামীকাল (১৮ জুলাই) সকাল ১১টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    আগামীকাল সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার জন্য কারফিউ থাকবে না। দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আবার কারফিউ চলবে।

    গোপালগঞ্জের বৃহস্পতিবার রাতের পরিস্থিতি

    ছবির উৎস, Sardar Ronie

    ছবির ক্যাপশান, নেই মানুষের সমাগম, টহল দিচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
  3. গোপালগঞ্জে চার জনের মৃত্যুর দায় সরকার এড়াতে পারে না: আইন ও সালিশ কেন্দ্র

    গোপালগঞ্জে

    ছবির উৎস, Sardar Ronie

    ছবির ক্যাপশান, গোপালগঞ্জে চার জনের মৃত্যুর দায় সরকার এড়াতে পারে না: আসক

    গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে হামলা এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে চারজন নিহত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

    আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি বলেছে, নিহত চারজনের মৃত্যুর দায় সরকার এড়াতে পারে না।

    একই সঙ্গে এনসিপির নেতা - কর্মীদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

    অবিলম্বে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

    এনসিপির নেতা ও সমর্থকদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি সমাবেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষের কোনো গাফিলতি ছিল কি না- তা খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছে এই মানবাধিকার সংগঠনটি।

    গোপালগঞ্জে যেভাবে জনসাধারণের ওপর বল প্রয়োগ ও গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে, তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড ও সংবিধান উভয়েরই চরম লঙ্ঘন এবং যা একান্তই অগ্রহণযোগ্য বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

    অতিরিক্ত বল প্রয়োগ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এই মানবাধিকার সংগঠনটি।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “মত প্রকাশ ও শান্তিপূর্ণভাবে সভা-সমাবেশ করার অধিকার বাংলাদেশের সংবিধানে নিশ্চিত মৌলিক অধিকার। রাষ্ট্র ও প্রশাসনের দায়িত্ব হলো এই অধিকার সুরক্ষা করা এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সময়ে উত্তেজনা প্রশমন ও মানুষের জীবন রক্ষা নিশ্চিত করা।”

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও চিত্রে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার এবং গুলির শব্দ স্পষ্টভাবে শোনা যাওয়ার কথা উল্লেখ করে বিবৃতিতে আসক বলেছে, পুলিশের মহাপরিদর্শক গণমাধ্যমে বলেছেন পুলিশ মারণাস্ত্র ব্যবহার করেনি।

    তাহলে এই আগ্নেয়াস্ত্র কারা ব্যবহার করল? এমন প্রশ্ন রেখে সংগঠনটি বলছে, “ আসক মনে করে, এ প্রশ্নের সুস্পষ্ট ও প্রামাণ্য ব্যাখ্যা দেওয়া না হলে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি, ভয় ও প্রশাসনের প্রতি অনাস্থা আরও বাড়বে।”

    সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে পরবর্তী সময়ে যেন কোনো নিরীহ মানুষ হয়রানি বা সহিংসতার শিকার না হন এবং নতুন করে মানবাধিকার লঙ্ঘনের নজির সৃষ্টি না হয়, তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহবান জানিয়েছে এই মানবাধিকার সংগঠনটি।

  4. তারিক আহমেদ সিদ্দিক, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে দুদকের চার মামলা

    দুদক
    ছবির ক্যাপশান, তারিক আহমেদ সিদ্দিক, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে দুদকের চার মামলা

    ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক চারটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

    আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ মামলা দায়েরের তথ্য জানিয়েছে দুদক।

    তারিক সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ‘জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ’ ২৮ কোটি ৫৯ লাখ ৬৩ হাজার টাকার বেশি সম্পদ অর্জনে অভিযোগে মামলা করেছেন দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।

    মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘ক্ষমতার অপব্যবহারের’ মাধ্যমে এ সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।

    এছাড়া তার চারটি ব্যাংক হিসাবে ৬২ কোটি ৬০ হাজার ৯৮৩ টাকার ‘সন্দেহজনক’ লেনদেন করার বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এসব ব্যাংক হিসাবে ‘অবৈধভাবে’ অর্জিত অর্থ জমা ও উত্তোলন করা হয়েছে।

    এই ‘সন্দেহজনক’ লেনদেন করে তিনি মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য ‘অপরাধ’ করেছেন বলে জানিয়েছে দুদক।

    তার পারিবারিক ব্যয় পাঁচ কোটি এক লাখ ৪২ হাজার টাকার বেশি এবং দায়-দেনা চার কোটি ২০ লাখ টাকা হিসেবে ধরা হয়েছে।

    এই হিসাবে তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৮ কোটি ৬৫ লাখ ৪ হাজার ৪০১ টাকা। অথচ তার ‘বৈধ আয় ও দায়সহ সর্বমোট গ্রহণযোগ্য আয়’ ২০ কোটি পাঁচ লাখ ৪১ হাজার ১৬৯ টাকা।

    মামলায় বলা হয়েছে, তারিক সিদ্দিকের অর্জিত সম্পদের মধ্যে ২৮ কোটি ৫৯ লাখ ৬৩ হাজার ২৩২ টাকার উৎস অস্পষ্ট এবং তা ‘জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয়েছে।

    এছাড়া স্ত্রী ও দুই মেয়ের সঙ্গে তারিক সিদ্দিককেও বাকি তিন মামলায় আসামি করা হয়েছে।

  5. গোপালগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা ‘ভালো’ ছিল, দাবি উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের

    স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

    ছবির উৎস, TV GRAB

    ছবির ক্যাপশান, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

    গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির কর্মসূচিকে ঘিরে যে সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা ‘ভালো’ ছিল বলে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

    তিনি বলেন, “ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তো আমার মতে আমি যতটুকু দেখেছি তারা ভালো ভূমিকা পালন করেছে এবং তারা সফলভাবে সেখান থেকে প্রত্যেককে ইভাকুয়েট করতে পেরেছে। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, অস্ত্রশস্ত্রসহ হামলা করেছে, তারা গ্রেফতার হবে।”

    আজ বৃহস্পতিবার বিডায় আয়োজিত এক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন তিনি।

    গতকাল গোপালগঞ্জে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছিল কি না এমন প্রশ্ন করা হয় প্রধান উপদেষ্টার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের কাছে।

    তিনি বলেন, “আমরা দেখাতে পারি কোনো ধরনের ইন্টারনেট বন্ধ কিংবা বিঘ্নের ঘটনা ঘটেনি। আমাদের সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত হচ্ছে যেকোনো পরিস্থিতিতে আমরা ইন্টারনেট শাট ডাউন করবো না।”

    “ইন্টারনেট শাটডাউন আমাদের জুলাই স্পিরিটের বিরুদ্ধে যায় এবং একই সাথে আমাদের ব্যবসায়িক যে এনভায়রনমেন্ট সেই এনভায়রনমেন্টকে ক্ষতিগ্রস্ত করে,” বলেন মি. তৈয়্যব।

  6. গোপালগঞ্জে সহিংসতার ঘটনার সব বিষয় তদন্ত কমিটি দেখবে: শফিকুল আলম

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের সংবাদ সম্মেলন

    ছবির উৎস, Chief Adviser’s Press Wing

    ছবির ক্যাপশান, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের সংবাদ সম্মেলন

    গোপালগঞ্জে সহিংসতার ঘটনার সব বিষয় তদন্ত কমিটি দেখবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

    তিনি বলেন, "তদন্ত কমিটি পুরো ঘটনা তদন্ত করবে। ঘটনা কেন হলো, কীভাবে মৃত্যুগুলো হলো সব বিষয় দেখবে তদন্ত কমিটি। সহিংসতা কারা করলো সেটিও দেখা হবে।"

    গোয়েন্দা তথ্যের ঘাটতি বা ব্যর্থতা আছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "গোপালগঞ্জের ঘটনা তদন্ত করতে যে কমিটি করা হয়েছে, তারা সব বিষয় দেখবে।"

  7. প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করলেন তাজউদ্দীন আহমেদের দুই সন্তান

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করেছেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের দুই সন্তান

    ছবির উৎস, CA PRESS

    ছবির ক্যাপশান, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করেছেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের দুই সন্তান

    মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে তাজউদ্দীনের পরিবার।

    আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন তাজউদ্দীনের জ্যেষ্ঠ কন্যা শারমিন আহমদ এবং পুত্র তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।

    এ সময় শারমিন আহমদের লেখা 'তাজউদ্দীন আহমদ: নেতা ও পিতা' বইয়ের একটি কপি প্রধান উপদেষ্টাকে উপহার দেন।

    সৌজন্য সাক্ষাৎ

    ছবির উৎস, CA PRESS

    ছবির ক্যাপশান, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তাজউদ্দিন পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
  8. সেনাবাহিনী আত্মরক্ষার্থে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়- আইএসপিআরের বিবৃতি

    গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের সময় সেনাবাহিনীর টহল

    ছবির উৎস, Sardar Ronie

    ছবির ক্যাপশান, গোপালগঞ্জ ইস্যুতে গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে সবাইকে ধৈর্যধারণের আহ্বান জানিয়েছে সেনাবাহিনী

    গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনী আত্মরক্ষার্থে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

    বুধবার গোপালগঞ্জের ঘটনা প্রসঙ্গে এতে বলা হয়, সেনাবাহিনী হামলাকারীদের মাইকে বারংবার ঘোষণা দিয়ে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে তারা সেনাবাহিনীর ওপর বিপুল সংখ্যক ককটেল ও ইট পাটকেল ছুড়ে হামলা করে এবং এক পর্যায়ে সেনাবাহিনী আত্মরক্ষার্থে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ যৌথভাবে বিশৃঙ্খলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

    গোপালগঞ্জ ইস্যুতে গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে সবাইকে ধৈর্যধারণ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করারও আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "গোপালগঞ্জ জেলায় একটি রাজনৈতিক দলের জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে আহ্বানকৃত জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে এলাকার একদল উচ্ছৃঙ্খল জনতা গত ১৬ জুলাই সংঘবদ্ধভাবে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিক আহত হন।"

    "এছাড়া শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সরকারি যানবাহনে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হওয়ায় সেনাবাহিনী ও স্থানীয় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে হস্তক্ষেপ করে এবং প্রাথমিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।"

    "উক্ত রাজনৈতিক সংগঠনের সমাবেশ চলাকালীন মঞ্চে পুনরায় হামলা চালানো হয় এবং একই সঙ্গে জেলা কারাগারে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে গোপালগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় গ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গকে খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। সর্বোপরি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পেশাদারিত্ব ও ধৈর্যের সাথে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়"- বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আইএসপিআর জানিয়েছে, বর্তমানে গোপালগঞ্জ জেলায় সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং প্রশাসনের জারি করা কারফিউ চলমান রয়েছে। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব এবং প্রশাসনের অন্যান্য সংস্থাগুলো ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় রেখে কাজ করে যাচ্ছে।

    গতকাল বুধবার সকাল থেকে চলমান এই রাজনৈতিক সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলায়, গোপালগঞ্জ জেলার জনসাধারণও অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে নিজেদের নিবৃত্ত রেখে সেনাবাহিনীকে সহায়তা করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

  9. গোপালগঞ্জে কারফিউয়ের সময় বাড়লো

    গোপালগঞ্জ

    ছবির উৎস, Sardar Ronie

    ছবির ক্যাপশান, গোপালগঞ্জে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে আগামীকাল দুপুর বারটা পর্যন্ত কারফিউ বহাল

    গোপালগঞ্জে গতকাল বুধবার রাত রাত ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলমান কারফিউ আগামীকাল (১৮ জুলাই) সকাল ১১টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

    আগামীকাল সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার জন্য কারফিউ থাকবে না।

    দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আবার কারফিউ চলবে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

  10. 'চেয়েছিলাম ডেমেক্রোসি, হয়ে যাচ্ছে মবোক্রেসি, কিন্তু কেন'- প্রশ্ন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদের

    সালাহউদ্দিন আহমদ

    ছবির উৎস, TV GRAB

    ছবির ক্যাপশান, বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ রাজধানীর নয়াপল্টনে এক সমাবেশে বলেছেন, "আমরা জুলাই ছাত্র গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত করেছিলাম ডেমোক্রেসির জন্য। আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি সারা বাংলাদেশে মবোক্রেসির রাজত্ব হচ্ছে। চেয়েছিলাম ডেমেক্রোসি, হয়ে যাচ্ছে মবোক্রেসি। কিন্তু কেন?"

    "গণঅভ্যুত্থানকে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জ করার সাহস পাচ্ছে কারা এবং কেন?" এই প্রশ্ন রেখে মি. আহমদ বলেন, "এই দুই কেন'র জবাব হচ্ছে সরকারের নির্লিপ্ততা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের ব্যর্থতা। আমরা বলতে চাইনি। আটই অগাস্ট এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হওয়ার পর থেকে আমরা সবসময় এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সফলতা কামনা করেছি। সবসময় সহযোগিতা প্রদান করেছি সর্বতোভাবে। কিন্তু আজ গণঅভ্যুত্থানের শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে।"

    বিভিন্নভাবে পরিকল্পিতভাবে ইস্যু সৃষ্টি করে বিএনপিকে কলঙ্কিত করার একটি অপচেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন কমিশনকে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচনের জন্য নির্দেশনা দেবেন এমন ভেবেছিলেন বলে উল্লেখ করেন মি. আহমদ।

    তিনি বলেন, “আমরা লক্ষ্য করলাম আপনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বৈঠক করছেন, কিন্তু নির্বাচন কমিশনকে অফিসিয়ালি ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন প্রস্তুতির জন্য এখনো যথাযথভাবে নির্দেশনা দেন নাই।”

    অতি শিগগিরই নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য নির্বাচন কমিশনকে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন মি. আহমদ।

  11. বাংলাদেশে ‘অনেক’ ভিসা দেওয়া হচ্ছে, দাবি ভারতের

    পাসপোর্টে ভারতীয় ভিসার ছাপ (ফাইল ছবি)

    ছবির উৎস, Getty Images

    ছবির ক্যাপশান, পাসপোর্টে ভারতীয় ভিসার ছাপ (ফাইল ছবি)

    বাংলাদেশি নাগরিকদের এখন অনেক পরিমাণে (‘সাবস্টেনশিয়াল নাম্বারস’) ভারতীয় ভিসা দেওয়া হচ্ছে বলে দিল্লি দাবি করেছে।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের জুলাই-অগাস্ট থেকেই বাংলাদেশে ভারতের স্বাভাবিক ভিসা কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ভারতের ভিসা পাওয়া যাচ্ছিল না বলে অনেক বাংলাদেশি নাগরিককেই চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে।

    তবে দিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এদিন (বৃহস্পতিবার) এক প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন, “আমরা তো (বাংলাদেশে) ভিসা দিচ্ছি। নানা কারণেই ভিসা দেওয়া হচ্ছে, অনেক পরিমাণে দেওয়া হচ্ছে।”

    নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, “যে সব কারণে ভিসা দেওয়া হচ্ছে, তার মধ্যে মেডিক্যাল ইস্যু বা ইমার্জেন্সি আছে, ছাত্রছাত্রীদের ভিসা আছে ইত্যাদি ইত্যাদি।”

    তবে ভারত সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বাংলাদেশিদের ঠিক কত সংখ্যক ভিসা দিয়েছে, সেই নির্দিষ্ট সংখ্যাটা তিনি বলতে পারেননি।

    “এটা আমাকে জেনে বলতে হবে,” জানান মি. জয়সওয়াল।

    বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে গতকাল (বুধবার) যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়ে আর একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি অবশ্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি – বরং উত্তর পাশ কাটিয়ে গিয়েছেন।

    গোপালগঞ্জের ঘটনাকে ভারত কীভাবে দেখছে, তার জবাবে তিনি বলেন, “আমাদের অঞ্চলে যে কোনো ডেভেলপমেন্টের দিকেই আমরা সতর্ক নজর রাখি, সেটা আমলে নিই এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের যা করণীয় সেটাও করা হয়।”

  12. শিগগিরই আবার গোপালগঞ্জে যাওয়ার ঘোষণা এনসিপির

    ফরিদপুরের সমাবেশে নাহিদ ইসলাম

    ছবির উৎস, collected

    ছবির ক্যাপশান, শিগগিরই আবার গোপালগঞ্জে যাওয়ার ঘোষণা দিলেন এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম

    অবিলম্বে আবার গোপালগঞ্জে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি। দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, "এবার কিন্তু আমরা ফিরে আসার জন্য মার্চ করবো না। গোপালগঞ্জের মাটি ও জনগণকে মুজিববাদ থেকে সম্পূর্ণভাবে চিরতরে মুক্ত করে ফিরে আসবো।"

    দলটির মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার ফরিদপুরে এক সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।

    গতকাল বুধবার গোপালগঞ্জে এনসিপির "শান্তিপূর্ণ পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে আক্রমণ চালানো হয়েছে" এবং "ফ্যাসিস্টরা এখনো গোপালগঞ্জকে তাদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে" বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    গতকালের ঘটনায় কোনো সাধারণ মানুষ যাতে হেনস্তার শিকার না হয় সে বিষয়ে সরকারকে আহ্বান জানিয়েছেন মি. ইসলাম।

    "সাধারণ মানুষের পাশে আমরা আছি। আমরা আহ্বান জানাতে চাই সরকারের কাছে গোপালগঞ্জের কোনো একজন সাধারণ মানুষকেও যাতে হেনস্তা না করা হয়। কিন্তু ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসী প্রত্যেককে ধরে ধরে গ্রেফতার করতে হবে" বলেন তিনি।

    গোপালগঞ্জে চার জন মানুষ "বিচার বহির্ভূতভাবে" গতকাল মারা গিয়েছে উল্লেখ করে মি. ইসলাম বলেন, "বিচারের প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগকে গ্রেফতার করতে হবে, বিচারের আওতায় আনতে হবে। কিন্তু আমরা দেখছি গ্রেফতার হচ্ছে না। গ্রেফতার হলে কোর্ট থেকে ছাড়া পাচ্ছে। বিচার প্রক্রিয়া আগাচ্ছে না।"

    বিচার আদায় না করে রাজপথ থেকে উঠে যাবেন না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

  13. একেক জেলায় একেক ফরমেটে কর্মসূচি হয়েছে, 'মার্চ টু গোপালগঞ্জ' একটা ভিন্ন ফরমেটের অংশ- দাবি এনসিপি'র

    'দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা' নামে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতারা গতকাল বুধবার গোপালগঞ্জে যান। তবে সেখানে হামলার মুখে তারা সংক্ষিপ্ত পথসভা করেন এবং পদযাত্রা স্থগিত করেন।

    সংঘাতময় পরিস্থিতি এরপরও চলতে থাকে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শেষ পর্যন্ত সরকার কারফিউ জারি করে।

    দেশব্যাপী 'জুলাই পদযাত্রা' কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত কর্মসূচিতে শুধু গোপালগঞ্জ জেলার ক্ষেত্রে কেন ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ নাম দেওয়া হলো, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা দেখা যাচ্ছে।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব বিবিসি বাংলাকে বলেন, “জুলাই পদযাত্রায় এক দিনে দুই থেকে তিনটি জেলায় কর্মসূচি রাখা হয়েছে। একেকটা জেলায় একেক ফরমেটে কর্মসূচি পালন করছি আমরা। যেমন- কোথাও আমরা পদযাত্রা করছি কোথাও বা পথসভা, কোথাও বা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ভ্রমণ করার পরিকল্পনা করছি। মার্চ টু গোপালগঞ্জ তেমনই একটা ভিন্ন ফরমেটের অংশ।”

    গোপালগঞ্জে সংঘাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সেখানে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টরা তাদের নেতাকর্মীদের হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছিল।”

  14. একুশে আগস্ট গ্রেনেড মামলায় আসামিদের খালাসের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি পেছালো

    আদালত

    ছবির উৎস, Getty Images

    ছবির ক্যাপশান, হাইকোর্ট

    একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক রহমান ও লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামির খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে শুনানি আগামী ২৪ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি করেছে আপিল বিভাগ।

    বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

    মামলার পলাতক দুই আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী নিয়োগ না হওয়ায় বৃহস্পতিবারের শুনানিতে পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে সিনিয়র আইনজীবী এস এম শাহজাহানকে নিয়োগ দেয় আপিল বিভাগ।

    এদিন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শুনানি করেন। পরে ২৪শে জুলাই শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়।

    এর আগে গত পহেলা জুন হাইকোর্টের খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি পান রাষ্ট্রপক্ষ।

    গেল বছরের পহেলা ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামিকে খালাস দিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট।

    এরপর গত ২৮শে মে বিচারিক আদালতের রায়কে অবৈধ ঘোষণা করেন উচ্চ আদালত এবং খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি পায় রাষ্ট্রপক্ষ। ।

    উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১শে অগাস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দলটির ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত হন। আহত হন তিন শতাধিক কর্মী।

    এরপর ২০১৮ সালের ১০ই অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে ঘটনার সময় থাকা স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন) তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।

    গত বছরের পহেলা ডিসেম্বর হাইকোর্ট অধস্তন আদালতে ছয় বছর আগে দেওয়া রায় বাতিল করে। ফলে অধস্তন আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৯ জন এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১৯ জনের সবাই খালাস পান।

  15. যারা অন্যায় করছে তারা গ্রেফতার হবে, কাউকে ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী
    ছবির ক্যাপশান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী

    গোপালগঞ্জের সহিংসতার ঘটনার প্রেক্ষাপটে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, "যারা অন্যায় করছে তারা সবাই গ্রেফতার হবে, কাউকে ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।"

    আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে মি. চৌধুরী আরও বলেন, “আমরা তো নির্দেশনা দিছি ওইখানে। ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের ঘটনা না ঘটে এইজন্য সব ধরনের প্রি-কশান (পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা) নেওয়া হবে। এখন ওই জায়গায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক। যারা অন্যায় করছে তারা গ্রেফতার হবে। কাউকে ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।”

    গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি এখন মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

    বুধবার যে সহিংসতা হয়েছে- এ ধরনের ঘটনার তথ্য ছিল কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “গোয়েন্দাদের তো তথ্য ছিল। বাট এত পরিমাণে হবে ওই তথ্যটা হয়তো ছিল না।”

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে এনসিপির এমন অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করলে মি. বলেন, “যার যার বক্তব্য সে সে দেবে।”

    উল্লেখ্য, বুধবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) 'মার্চ টু গোপালগঞ্জ' কর্মসূচি ছিল। সেখানে পথসভা শেষ করে ফিরে যাওয়ার সময় এনসিপির গাড়িবহর লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে হামলাকারীদের সংঘর্ষ হয়।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসন প্রথমে ১৪৪ ধারা জারি করে। পরে রাত ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করে সরকার।

    সংঘর্ষের ঘটনায় চার জনের মৃতদেহ হাসপাতালে আসে বলে বুধবার রাতে জানান গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস।

  16. গোপালগঞ্জে সহিংসতার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার

    সমাবেশস্থলের চেয়ার ভাঙচুর করে আগুন দেওয়া হয়
    ছবির ক্যাপশান, গোপালগঞ্জে বুধবার সহিংসতার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার

    গোপালগঞ্জে গতকাল বুধবার সংঘটিত সহিংসতার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। কমিটিকে দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

    এতে জানানো হয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সেক্রেটারি নাসিমুল গণিকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় এবং গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে আরও দুই জন অতিরিক্ত সচিব এই কমিটির সদস্য হবেন।

    পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে এই কমিটিকে দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

    ন্যায়বিচার ও জন শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং যে কোনো বেআইনি কাজ, সহিংসতা এবং মৃত্যুর জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    গোপালগঞ্জে সহিংসতা
    ছবির ক্যাপশান, বুধবার ফাঁকা গুলি, রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস ছুঁড়েও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ আনতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, পরে ১৪৪ ধারা ও কারিফউ জারি করা হয়
  17. পরিস্থিতির দায়ভার সরকার ও প্রশাসনকে নিতে হবে: নাহিদ ইসলাম

    গোপালগঞ্জের বুধবারের পরিস্থিতির জন্য সরকার ও প্রশাসনকে দায়ী করছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা নাহিদ ইসলাম।

    নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, "আমরা চারজনের মৃত্যুর কথা শুনেছি। কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডজ্ঞানকে আমরা সমর্থন করি না, প্রত্যাশা করি না। সন্ত্রাসীদের বিচারিক প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থা যদি সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতো তাহলে এ পরিস্থিতি তৈরি হতো না।"

    "এ দায়ভার সরকার ও প্রশাসনকে নিতে হবে। আমরা পুরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সন্ত্রাসীদের বিচার দাবি করছি। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে হবে। শুধু গোপালগঞ্জ নয় সারাদেশে এ গ্রেফতার অভিযান চালাতে হবে," লিখেছেন তিনি।

  18. 'আমরা আবারো গোপালগঞ্জে যাবো'- ফেসবুকে নাহিদ ইসলামের পোস্ট

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম

    ছবির উৎস, NAHID ISLAM/Facebook

    ছবির ক্যাপশান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, “আমরা আবারো গোপালগঞ্জে যাবো। আমরা জীবিত থাকলে গোপালগঞ্জের প্রত্যেকটা উপজেলায় প্রত্যেকটা গ্রামে কর্মসূচি করবো।”

    নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি এই পোস্ট করেন।

    তিনি লিখেছেন, “গোপালগঞ্জের প্রতিটা ঘরে ঘরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পতাকা উড়বে। গোপালগঞ্জ মুজিববাদীদের হবে না, বাংলাদেশপন্থীদের হবে।”

    গোপালগঞ্জে এনসিপির বুধবারের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, “আমরা যুদ্ধের আহ্বান নিয়ে যাই নাই। আমাদের পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ছিল। মুজিববাদী সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্য সশস্ত্র হামলা চালায় আমাদের উপরে। যেরকমটা জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সব সময় একটা গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়।”

    গোপালগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলা থেকে এনসিপির লোকজনকে দলের কর্মসূচিতে আসতে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন মি. নাহিদ।

    তিনি লিখেছেন, “আমরা চারজনের মৃত্যুর কথা শুনেছি। কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডজ্ঞানকে আমরা সমর্থন করি না, প্রত্যাশা করি না।”

    পুরা ঘটনার তদন্ত ও বিচার দাবি করে তিনি লিখেছেন, “সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে হবে। শুধু গোপালগঞ্জ নয় সারাদেশে এ গ্রেফতার অভিযান চালাতে হবে।”

  19. গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা বিএনপির

    গতকাল বুধবার গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে হামলারে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ‘ব্যর্থ’ হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপি।

    বুধবার রাতে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির এক সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয় বলে এক বিবৃতিতে জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির সভায় “আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্ত ও সমর্থকদের হামলায়” চার জন নিহত হওয়ায় গভীর নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিএনপি। এই ঘটনাকে “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করবার নীল নকশা” বলে মনে করে দলটি।

    বিবৃতিতে বলা হয়, “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনা” করে বিএনপি।

    দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, “জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ব্যাহত করবার জন্য একটি মহল পরিকল্পিতভাবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে। মবোক্রেসি, হত্যা, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ইত্যাদি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর অযোগ্যতা এবং নির্লিপ্ততা পরিস্থিতিকে আরও অবনতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে।”

    অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানায় বিএনপি।

  20. গোপালগঞ্জে যৌথ অভিযানে ২০ জনকে আটকের তথ্য জানালো পুলিশ

    গোপালগঞ্জ শহরে টহল দিচ্ছে পুলিশ

    ছবির উৎস, Sardar Ronie

    ছবির ক্যাপশান, গোপালগঞ্জ শহরে টহল দিচ্ছে পুলিশ

    গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে বুধবার দিনব্যাপী সংঘর্ষের পর রাত থেকে কারফিউ জারি করা হয়েছে। সেইসাথে এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

    কারফিউয়ের মধ্যে এ পর্যন্ত ২০ জনকে আটকের খবর নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মীর মো. সাজেদুর রহমান।

    মূলত বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে এই ২০ জনকে আটক করার কথা জানান তিনি।

    আটকদের গোপালগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে বলে জানান ওসি মীর মো. সাজেদুর রহমান।

    গোপালগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে বলেও জানান তিনি।