'১৪ স্তর পেরিয়ে কুয়েত বিমানে এক শিশু'

কোন পাসপোর্ট আর টিকেট ছাড়াই উড়োজাহাজে উঠে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম “১৪ স্তর পেরিয়ে কুয়েত বিমানে এক শিশু”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ১৪ স্তরের নিরাপত্তা ডিঙিয়ে এক শিশু কোন পাসপোর্ট, টিকিট, বোর্ডিং পাস ছাড়াই কুয়েত এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে উঠে পড়েছে।
এ ঘটনায় হতভম্ব হয়ে পড়েছেন ওই ফ্লাইটের পাইলট, ক্রুসহ সব যাত্রী। পুরো ফ্লাইটটির ৩৩০ আসনে যাত্রী পূর্ণ থাকায় কেবিন ক্রুরা ওই শিশুটিকে কোনো সিট দিতে পারছিলেন না। একপর্যায়ে আসন ছাড়া কীভাবে শিশুটি ফ্লাইটে উঠল এ নিয়ে হুড়োহুড়ি শুরু হয়।
বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্তরের নিরাপত্তাকর্মীরা ছুটে আসেন ফ্লাইটে। এরপর বেরিয়ে আসে শাহজালালের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভয়াবহ চিত্র। এ ঘটনায় কুয়েত এয়ারওয়েজের কেইউ-২৮৪ ফ্লাইটটি প্রায় আধা ঘণ্টা দেরিতে ঢাকা ত্যাগ করেছে।
মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৪টা ১০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে বিমানবন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে। শিশুটির অভিভাবকদের থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার সাথে আদম পাচারের সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
নিউ এইজের শিরোনাম Medicine prices shoot up sharply in 3 months” অর্থাৎ “ওষুধের দাম গত তিন মাসে ব্যাপক হারে বেড়েছে”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ওষুধ উৎপাদকরা ওষুধের দাম ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে। যেখানে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে, সেখানে ওষুধের বাড়তি মূল্যের কারণেও বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও উপ-পরিচালক মোঃ নুরুল আলম বলেছেন, সরকার সরাসরি ১১৭টি জেনেরিক ওষুধের দাম নির্ধারণ করে এবং অন্যান্য ওষুধের দাম সংস্থার অনুমোদন নিয়ে উৎপাদক প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করে।
উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির অজুহাতে উৎপাদকেরা ওষুধের দাম বেশি বাড়ায়। কোম্পানিগুলোর দাবি কাঁচামালের দাম এবং কর্মীদের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় দাম বাড়াতে গয়েছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, “অভিযান চলে, মশা কমে না”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মশা মারতে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন অভিযানে নামলেও সেই অভিযান যে কোন কাজে দেয়নি, তা বর্তমান পরিস্থিতি দেখেই ধারণা করা যায়।
এবারের ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিশেষ করে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বিগত যেকোন সময়ের রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছে। সামনের দিনগুলোয় পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
সাধারণত লার্ভার হিসেব করে ধারণা করা হয় যে এডিস মশার বিস্তার কেমন হবে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা বছরে তিনবার ঢাকায় মশার জরিপ করে। সেই জরিপের ফল সিটি করপোরেশকেও দেয়া হয়।
স্বাস্থ্যসেবা খাতে দুর্নীতি নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, “ডাক্তার নার্সের সংকট, পরীক্ষার যন্ত্রপাতিও সিংহভাগ নষ্ট”। প্রতিবেদনে মূলত জেলা হাসপাতালগুলোর দুর্দশার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
অথচ এই স্বাস্থ্যসেবা খাতে গত এক দশকে সরকারের বিনিয়োগ প্রায় পাঁচ গুণ বেড়েছে। যার অধিকাংশই ব্যয় হয়েছে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে। নতুন অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি কেনা হয়েছে নতুন যন্ত্রপাতি।
শয্যা ও সক্ষমতা বাড়াতে বাস্তবায়ন হয়েছে নানা প্রকল্প। বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও এসব হাসপাতালে কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে না বলে অভিযোগ তুলছেন রোগীরা। দেশের জেলা-উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোয় দক্ষ চিকিৎসক ও নার্সের সংকট নিয়ে অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে।
মেডিকেল যন্ত্রপাতি পরিচালনা ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের মতো দক্ষ জনবলেরও সংকট রয়েছে। বেশির ভাগ সময়ই নষ্ট থাকছে বিপুল অর্থ ব্যয়ে কেনা যন্ত্রপাতিগুলো। ওষুধ সরবরাহের ঘাটতি ও স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টদের পেশাদারত্বের অভাবের অভিযোগও রয়েছে অনেক।

জন প্রশাসন নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, “বদলির পরও ৩৮ কর্মকর্তা মাঠ প্রশাসনে যোগ দেননি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মাঠ প্রশাসনে গত জুলাই ও আগস্ট মাসে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদে ১৪৩ জনকে বদলি করা হয়েছে।
এর মধ্যে ৩৮ জন কর্মকর্তা পদায়ন করা কর্মস্থলে যোগদান করেননি।
আর নতুন কর্মস্থলে যোগদানে গড়িমসি করতে পারেন—এই ভাবনা থেকে ৮৮ কর্মকর্তাকে ইউএনও পদে স্ট্যান্ড রিলিজ (তাৎক্ষণিক অবমুক্ত) করা হয়েছে।
স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কয়েকজন কর্মকর্তা যোগদান করেননি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বদলি, পদায়নের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চিত্র পাওয়া গেছে। কিন্তু এক বছর আগে চিত্র এমন ছিল না।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাজ করছে। এর প্রভাব সবার ওপর পড়ছে। গত দুই মাসের বদলি-পদায়নের পর বড়সংখ্যক কর্মকর্তার মাঠ প্রশাসনে যোগ দিতে অনীহাকে কেউ কেউ নির্বাচনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে পারেন।
সমকালের প্রধান শিরোনাম, “ইসি ডেকেছে আলাপে আলোচকরা আঁধারে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) এর আগেও কয়েক দফা সংলাপ করলেও বিশিষ্টজনের পরামর্শ বাস্তবায়নে কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। তারপরও যেন আলাপ-আলোচনা থেমে নেই।
বুধবার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে আবার আলোচনায় বসছে ইসি। এতে চারজন আলোচক, চারজন পর্যালোচক ও ২০ জন আমন্ত্রিত অতিথির অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
বিশিষ্টজনরা বলছেন, এই আয়োজনের উদ্দেশ্য তাদের কাছে পরিষ্কার নয়। কারণ, এর আগে সংলাপ করলেও পরামর্শ বাস্তবায়নে তাদের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
অন্যদিকে ইসির শীর্ষ কর্তারা বলছেন, বিদ্যমান সংবিধানের বাইরে যাওয়ার সুযোগ বর্তমান কমিশনের নেই। সংলাপের প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া ইসির একার পক্ষে সম্ভব নয়।
নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, “আইনজীবীদের পদযাত্রায় পুলিশের লাঠিচার্জ”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ঢাকা জজকোর্ট এলাকায় বিএনপিসহ সরকারবিরোধী আইনজীবীদের পদযাত্রায় পুলিশের ব্যাপক লাঠিচার্জে অন্তত ৫০ জন আইনজীবী আহত হয়েছেন।
গুরুতর আহত হয়ে অন্তত ১০ জন আইনজীবী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

অন্যান্য খবর
প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, “বাংলাদেশের ৯১% মানুষ গণতান্ত্রিক শাসনের পক্ষে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের জরিপে বাংলাদেশের ৯১ ভাগ উত্তরদাতা গণতন্ত্রের পক্ষে মত দিয়েছেন।
অর্থাৎ দেশটির সাধারণ মানুষ নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার চান। মানবাধিকারকে বিশ্বের কলাণের জন্য একটি বড় শক্তি হিসেবে মনে করেন এ দেশের বেশিরভাগ নাগরিক।
মূলত ৩০টি দেশে এই জরিপ পরিচালনা করা হয়। প্রতিটি দেশ থেকে গড়ে প্রায় এক হাজার জন এতে অংশ নেয়।
বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর, “খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে চাল-আটার ভার সবচেয়ে বেশি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশে, যা গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এরই মধ্যে এ খাদ্য মূল্যস্ফীতির পেছনে কোন পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি দায়ী, তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান দাবি করছেন, মুরগি ও ডিমের মূল্যবৃদ্ধিই খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে সবচেয়ে বড় প্রভাব রেখেছে।
যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল্যস্ফীতির হিটম্যাপ অনুযায়ী, খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে মাংস ও ডিমের ভূমিকা খুবই সামান্য। বরং দানাদার খাদ্যশস্য (চাল-আটাসহ ধান ও গম উদ্ভূত পণ্য), মাছ-শুঁটকি শ্রেণীর পণ্য ও মসলার প্রভাব পড়েছে সবচেয়ে বেশি।

যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, “বড় রপ্তানিকারকরা মহাবিপাকে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঋণপত্র বা এলসির দেনা পরিশোধে রপ্তানি আয়ের ডলার এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় মহাবিপাকে পড়েছেন বড় রপ্তানিকারকরা।
এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে ডলার স্থানান্তর করতে না পারায় এলসির দেনা পরিশোধ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে রপ্তানিকারকের কোনো কোম্পানির নামে এক ব্যাংকে থাকা ডলার দিয়ে অন্য ব্যাংকে একই রপ্তানিকারকের অন্য কোনো এলসির দেনা পরিশোধ করা যাচ্ছে না।
সংকটের কারণে অন্য কোনো ব্যাংক থেকে ডলার কিনে দেনা শোধ করার মতো পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রাও বাজারে নেই। এদিকে নির্ধারিত সময়ে দেনা শোধ করতে না পারায় একদিকে ব্যাংকের দুর্নাম হচ্ছে, অন্যদিকে গ্রাহকেরও দুর্নাম হচ্ছে।
নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর, “আমার স্বামী মামুনই প্রথম আঘাত করেন এডিসি হারুন স্যারকে: মুখ খুললেন সানজিদা”।
শাহবাগ থানায় দুই ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের ঘটনার পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদকে নিয়ে প্রশাসনের নাটকীয়তার যখন তুঙ্গে, এর মধ্যে অবশেষে মুখ খুললেন সানজিদা আফরিন।
যাকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত বলে ভাবা হচ্ছে। তিনি বলেন, এডিসি হারুন স্যার নির্দোষ, আমার স্বামী রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হক মামুনই হারুন স্যারকে প্রথমে আঘাত করেছেন।
সানজিদা রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক মামুনের স্ত্রী। তিনি ৩৩তম বিসিএসের কর্মকর্তা। ডিএমপির ক্রাইম বিভাগে অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন সানজিদা।

বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর, “দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে ওবায়দুল হাসানকে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।
বর্তমান প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ২৫ সেপ্টেম্বর অবসরে যাবেন। ওইদিন তার বয়স ৬৭ বছর পূর্ণ হবে। সুপ্রিম কোর্টে অবকাশ চলায় গত ৩১ আগস্ট ছিল তার শেষ বিচারিক কর্মদিবস।
এর আগে ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।
সমকালের প্রথম পাতার খবর, “অংশগ্রহনমূলক, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে জোর যুক্তরাজ্যের”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় যুক্তরাজ্য।
মঙ্গলবার ঢাকা-লন্ডন ৫ম কৌশলগত সংলাপে যুক্তরাজ্যের তরফ থেকে এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এমনকি নির্বাচন আয়োজনে যে কোনো ধরনের সহযোগিতা দেয়ারও প্রস্তাব দিয়েছে দেশটি। জবাবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ ধরনের নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতাও রয়েছে।
মাসুদ বিন মোমেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, নির্বাচনের ব্যাপারে তাদের আগ্রহ আছে। তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচন দেখতে চায়। সরকার সে লক্ষ্যে কাজ করছে বলে আমরা জানিয়েছি।











