‘সরকার চাইলে ছয় মাসে ভোটের প্রস্তুতি সম্ভব’

যুগান্তরের খবর, ‘সরকার চাইলে ছয় মাসে ভোটের প্রস্তুতি সম্ভব’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, সীমানা পুনর্নির্ধারণ, নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন এবং নির্বাচনি মালামাল সংগ্রহের মতো প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো আবারও করতে হবে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে।
এসব কার্যক্রম একসঙ্গে পুরোদমে চালালে আগামী ছয় মাসে তা শেষ করা সম্ভব বলে মনে করেন নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা।
ওইসব কাজ শেষ করার পর নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করতে পারবে নতুন নির্বাচন কমিশন।
সাধারণত তফশিল ঘোষণার ৪৫-৬০ দিনের মধ্যে ভোটগ্রহণ হয়। সেক্ষেত্রে সরকার চাইলে আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব।
তবে প্রস্তুতিমূলক কাজের সব কিছুই নির্ভর করছে অন্তর্বর্তী সরকার, রাজনৈতিক দলগুলো ও নিয়োগ পেতে যাওয়া নতুন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর।
কারণ সংবিধান এবং নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারে দুটি কমিশন কাজ করছে। ওই কমিশন দুটি যেসব সংস্কার প্রস্তাব দেবে, সেগুলো বাস্তবায়নের সঙ্গে নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কাজের সরসারি সম্পর্ক রয়েছে।
সংবিধান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ও বিধিমালায় সংশোধনী আনা হলে সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে গেলে এই সময়সীমার হেরফের হবে।

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Labour migration to major destinations still at halt’ অর্থাৎ, ‘প্রধান গন্তব্যগুলোয় শ্রম অভিবাসন এখনও থমকে আছে’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ থেকে বেশ কয়েকটি দেশে শ্রম অভিবাসন বিভিন্ন কারণে পাঁচ বছর পর্যন্ত স্থগিত রয়েছে।
অথচ ওইসব দেশে একসময় লক্ষাধিক বাংলাদেশি কর্মী নিযুক্ত ছিল।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে অন্তত ১৩টি গন্তব্য দেশে শ্রম অভিবাসন স্থগিত রয়েছে।
দেশগুলো হলো: ওমান, বাহরাইন, ইরাক, লিবিয়া, সুদান, মালয়েশিয়া, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, রোমানিয়া, ব্রুনাই, মরিশাস, ইতালি ও মালদ্বীপ।
বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বলছে যে সরকার এই বাজারগুলো পুনরায় চালু করার জন্য কাজ করছে।
তবে এটা কোনো একতরফা বিষয় নয়। গন্তব্য দেশকেও এগিয়ে আসতে হবে বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মূলত অভিবাসন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের কারণে এসব দেশ বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে।
যা দেশের রেমিট্যান্স আয়ের ওপর নির্ভরশীল অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘অদম্য বাংলাদেশই আবার চ্যাম্পিয়ন’। এ খবরে বলা হচ্ছে, নেপালের দ্বিতীয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ২-১ গোলে হারিয়ে নিজেদের নতুন উচ্চতায় তুলেছেন বাংলাদেশের মেয়েরা। দেশের ফুটবলে যা নতুন এক ইতিহাস।
বড় কোনো শিরোপা জিতে সেটি ধরে রাখার কীর্তি ছেলেরা দেখাতে পারেননি কখনো। সাবিনা খাতুনের নেতৃত্বে পেরেছেন লাল–সবুজের অদম্য মেয়েরা।
২০২২ সালের ফাইনালে দশরথ রঙ্গশালাতেই নেপালকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়নের মুকুট মাথায় তুলেছিল বাংলাদেশ। সেই মুকুট নিজেদের কাছে রেখেই আজ দেশে ফিরবেন সাবিনারা।
দেশকে আরেকবার আনন্দে ভাসিয়ে, মাথা উঁচু করে তাঁদের ফেরাটা হবে অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণাও।
বিকেল থেকেই কাঠমান্ডুর ফুটবল-জনতা শিরোপা উৎসবের আশায় ভিড় জমায় দশরথ গ্যালারিতে। ফাইনাল শুরুর দেড় ঘণ্টা আগেই ১৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার গ্যালারি প্রায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়।
অনেকের হাতে ছিল নেপালের পতাকা। স্টেডিয়ামে তৈরি হয় উৎসবের পরিবেশ। সেটির মাত্রা আরও বাড়ে ম্যাচ শুরুর পর, যেন ১২তম খেলোয়াড় হয়ে লড়ছিলেন নেপালের সমর্থকেরা।
কিন্তু প্রতিপক্ষের বিপুল সমর্থকের চাপও মনিকারা জয় করেছেন দারুণভাবেই।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘All killings, rights abuses must be probed’ অর্থাৎ, ‘সকল হত্যা, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা তদন্ত করতে হবে’।
শিরোনামে মূলত জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার টুর্কের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। বুধবার তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে ৫ই অগাস্টের আগে ও পরে সব মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপরাধীদের বিচার হওয়া উচিত।
"কোনও ধরণের মব জাস্টিস গ্রহণযোগ্য নয় এবং সেজন্য আইনের শাসন প্রয়োজন। অন্যথায়, সহিংসতা থেকেই সহিংসতা জন্ম নেবে যেমনটি আমরা বিশ্বজুড়ে অনেক পরিস্থিতিতে দেখি," তিনি বলেন।
ভলকার টুর্ক, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে ও পরে নিহত ব্যক্তিদের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য যে গণ-অভ্যুত্থান হয়েছিল সে সময় শত শত মানুষ নিহত হয়।
কিন্তু তিনি ভারতে চলে যাওয়ার পর পাল্টা গুলিতে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ কর্মীসহ বহু মানুষ নিহত হন। এছাড়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা হয়েছে।
গণঅভ্যুত্থান সফল করতে যারা কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা হবে না- এমন সরকারি সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত হওয়া উচিত অপরাধীদের পরিচয় নির্বিশেষে।
বিপুল সংখ্যক মামলার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "আমরা এমন অভিযোগে মামলা দায়ের করতে পারি না যা সঠিকভাবে করা হয়নি”।

নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর, ‘আসছে ইউএস সিক্রেট সার্ভিসের প্রতিনিধিরা’। এ খবরে বলা হচ্ছে, দেশ থেকে অর্থ পাচারকারীদের পাকড়াও করার সক্ষমতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের একদল প্রতিনিধি বাংলাদেশে আসছে।
বাংলাদেশের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার ৬০ জন প্রতিনিধি প্রাথমিকভাবে ইউএস সিক্রেট সার্ভিসের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নেবেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক দায়িত্বশীল সূত্রের বরাতে এই খবর ছাপিয়েছে নয়া দিগন্ত।
বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বিদেশী এক সংবাদ মাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, হাসিনার সহযোগীরা ১৭ বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে পাচার করেছে।
এর মধ্যে বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলম একাই সরিয়েছে ১০ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে এটা প্রাথমিক তথ্য। এ সংখ্যা কয়েক গুণ হবে।
দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের জন্য ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। এ জন্য দেশ-বিদেশের অভিজ্ঞদের সহযোগিতা নেয়া হচ্ছে।
এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে দফায় দফায় বৈঠক করা হচ্ছে।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, ‘নির্বাচনের চাপ বাড়ছে’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রাষ্ট্র সংস্কারে অগ্রাধিকার দেওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর নির্বাচনের জন্য চাপ বাড়ছে।
বিএনপি শুরুতে সরকারকে যৌক্তিক সময় দেওয়ার কথা বললেও এখন দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ চাইছে। সমমনা কয়েকটি দলও একই দাবি জানাচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামী সংস্কারে গুরুত্ব দিলেও বিলম্বিত নির্বাচন চায় না।
রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বিএনপি। দলটির কোনো কোনো নেতা বলেছেন, এতে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে এবং নির্বাচন বিলম্বিত হবে।
তাই নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করলে রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি জনগণের মধ্যেও আশ্বাস তৈরি হবে।
সরকার পতনের পর গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকার রাষ্ট্র সংস্কারে বেশ কয়েকটি কমিশন গঠন করেছে। চলতি বছরের মধ্যেই কমিশনগুলোর প্রতিবেদন দেওয়ার কথা।
এরপর রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে সবার পরামর্শের ভিত্তিতে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করবে।

ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, ‘সরকার এখনো নির্বাচনের রূপরেখা চূড়ান্ত করেনি’। এ খবরে মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা এ মন্তব্য করেছেন।
নির্বাচন প্রসঙ্গে ড. ইউনূস বলেন, ‘নির্বাচনের সময়সূচি (এখনই) টানা হবে না। আমাদের কাজ বিভিন্ন বিষয়ের নিষ্পত্তি করা ও নতুন সংস্কার এজেন্ডার বাস্তবায়ন।’
বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরোনো ও বৃহত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষে অবস্থান স্পষ্ট করেছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী এই অধ্যাপক।
তিনি বলেছেন, ‘স্বল্প মেয়াদে হলেও নিশ্চিতভাবেই তার (শেখ হাসিনা) কোনো জায়গা নেই, আওয়ামী লীগের কোনো জায়গা নেই বাংলাদেশে।.. ‘একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কোনো ফ্যাসিস্ট দলের অস্তিত্ব থাকা উচিত নয়।’
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তার দলকে রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে দূরে সরিয়ে রাখা, নাকি সংস্কার, নাকি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা উচিত, সে বিষয়ে বিতর্ক চলছে।
ড. ইউনূসের ধারণা, আওয়ামী লীগ একটি দুর্বল ও ব্যর্থ দলে পরিণত হতে পারে। তবে তিনি গুরুত্ব দেন যে, তার অন্তর্বর্তী প্রশাসন দলটির ভাগ্য নির্ধারণ করবে না। কেননা, এটি কোনো ‘রাজনৈতিক সরকার নয়’।

সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘গ্যাস সংকটে থমকে গেছে উৎপাদন, হুমকিতে শিল্প’। এ খবরে বলা হচ্ছে, সরবরাহ না বাড়ায় দেশে গ্যাস সংকট বেড়েই চলছে। দিনে গ্যাসের ঘাটতি থাকছে প্রায় ১৩৫ কোটি ঘণফুট।
গ্যাস স্বল্পতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ খাত হচ্ছে শিল্প। ৩০ শতাংশ কম গ্যাস পাচ্ছে শিল্প কারখানা। গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সাভার, চট্টগ্রাম, নরসিংদীসহ দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে এই সমস্যা দিন দিন প্রকট হচ্ছে।
গ্যাস সংকটে ব্যাহত হচ্ছে কারখানার উৎপাদনভ অনেক কারখানা হুমকিতে আবার কোনটি বন্ধের পথে। বাধ্য হয়ে শ্রমিক ছাটাই করছেন মালিকরা।
উৎপাদন কম হওয়ায় কমছে পণ্য রপ্তানি। বিদেশ থেকে বাড়ছে কাঁচামাল আমদানি। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ পড়ছে।
দ্রুত সমাধান না হলে অর্থনীতিতে অশনি সংকেত দেখছেন ব্যবসায়ীরা। ভোগান্তি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে কারখানা চালু রাখার চেয়ে বন্ধ রাখলেই লাভ।
গ্যাস সংকটের কারণে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ হচ্ছে গাড়ির সারি। তবুও মিলছে না গ্যাস। সরকার গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধির নানা পদক্ষেপ এবং শিল্পে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে।
তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে শিগগিরই গ্যাস সংকট দূর হবে না কেননা বিগত দিনগুলো দেশীয় গ্যাসের অনুসন্ধানের চেয়ে আমদানিতে সরকারের ঝোঁক বেশি ছিল।

সংবাদের প্রধান শিরোনাম, ‘নড়াইলে গরুচোর সন্দেহে তিনজনকে পিটিয়ে হত্যা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নড়াইলে গরুচোর সন্দেহে তিনজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার ভোররাতে সদর উপজেলার তুলারামপুর এলাকার নড়াইল-ঢাকা-বেনাপোল মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে বলে নড়াইল সদর থানা পুলিশ জানায়।
নিহতদের বয়স ২৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্য এবং তাদের বাড়ি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তুলারামপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। ভোরে ওই এলাকার একটি বাড়িতে তিনজন গরু চুরি করতে যায় বলে অভিযোগ ওঠে।
এ সময় কুকুর ডাকার শব্দে বাড়ির মালিক টের পেয়ে চিৎকার শুরু করেন এবং আশেপাশের সবাইকে ফোন করে জানান। একপর্যায়ে গ্রামের মসজিদ থেকে মাইকিং করা হয়।
এ সময় গ্রামবাসী চোরদের ধাওয়া করে গণপিটুনি দিলে তিনজন ঘটনাস্থলে নিহত হন।
এর আগেও তুলারামপুর এলাকায় গরুচুরির কারণে দুইজনকে এবং ২০২২ সালের ২৫শে ডিসেম্বর নড়াইল পৌরসভার উজিরপুর ও বিড়গ্রামে আরও দুইজনকে পিটিয়ে হত্যা করে ভুক্তভোগী গ্রামবাসী।
ভুক্তভোগী গ্রামবাসীর দাবি, প্রায় এক বছর ধরে তাদের গ্রামে গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে নড়াইল-ঢাকা-বেনাপোল মহাসড়কের আশেপাশের বাড়িগুলো থেকে প্রায় রাতেই গরু চুরি হচ্ছে।
গত পাঁচ মাসে ২৮টি গরু অর্থাৎ ২৫ লাখ টাকা সমমূল্যের গরু চুরি হয়েছে। চোরেরা স্প্রে ব্যবহারে অজ্ঞান করে অনেকের গরু নিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে গ্রামবাসী কমিটি করে রাতে পাহারার ব্যবস্থা করেছেন।









