গর্ভধারণ: আপনার খাদ্যাভ্যাস কি প্রজনন ক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলে?

- Author, জেসিকা মাডিট
- Role, বিবিসি ফিউচার
প্রজনন ক্ষমতা নিয়ে কথাবার্তা হয় এরকম যে কোন অনলাইন চ্যাটরুমে যদি যান, দেখতে পাবেন, সেখানে একটি প্রধান আলোচনার বিষয় হচ্ছে কী ধরণের খাবার খেলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ে। গর্ভধারণের সক্ষমতা বাড়ানোর নানা ধরণের সাপ্লিমেন্ট বা পরিপূরক খাবারের কথা এসব চ্যাটরুমে প্রচার করা হয়। স্বাস্থ্যসম্মত গর্ভধারণের জন্য এখানে নানা ধরণের খাবারের কথাও বলা হয়।
গর্ভধারণ সম্পর্কে এই যে নানা কথা, নানা ধরণের জিনিস বিপণন করা হচ্ছে- বিশেষ কিছু খাবার খেলে যে পুরুষ এবং নারীর প্রজনন ক্ষমতা আসলেই বাড়ে, গর্ভস্থ ভ্রূণের বিকাশে সাহায্য করে, এর প্রমাণ কতটা আছে?
শুরুতে বলে রাখা দরকার, কিছু কিছু পুষ্টিকর খাবার আসলেই গর্ভাবস্থায় সুস্থ থাকতে সাহায্য করে, ভ্রূণের বিকাশ নিশ্চিত করে- যেমন ফলিক এসিড। গর্ভধারণের আগে এবং গর্ভধারণের পরে ফলিক এসিড নিয়মিত গ্রহণ করলে এটি যেমন একদিকে ‘অ্যানেনসেফালি (শিশুর মস্তিষ্কে একধরণের ত্রুটি) নিরোধ করে, অন্যদিকে ‘স্পিনা বিফিডা’ বলে শিশুর মেরুদণ্ডের একটি রোগ প্রতিরোধেও সহায়ক হয়।
যেহেতু এসব রোগ গর্ভধারণের একেবারে প্রাথমিক অবস্থায় হয়, যখন একজন নারী হয়তো জানেনই না যে তিনি গর্ভবতী, সেজন্যে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের সুপারিশ হচ্ছে, প্রজনন সক্ষম বয়সের সব নারীর উচিৎ প্রতিদিন চারশো মাইক্রোগ্রাম ফলিক এসিড গ্রহণ করা।
প্রতিদিন আমরা যা খাই, যেমন ব্রেকফাস্ট সিরিয়াল, সেগুলোতে ফলিক এসিড ভরে দিতে পারলে আরও শক্তিশালী সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব। কারণ বেশিরভাগ গর্ভধারণের ঘটনা ঘটে কোন পরিকল্পনা ছাড়াই।
ধারণা করা হয়, ২০১৯ সালে সম্ভাব্য স্পিনা বিফিডা বা অ্যানেনসেফালির ২২ শতাংশই রোধ করা গেছে প্রতিদিনের খাবারে ফলিক এসিড মেশানোর মাধ্যমে।
ফলিক এসিডের আরেকটি বাড়তি সুবিধা আছে: নারীরা যখন গর্ভধারণের চেষ্টায় সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ফলিক এসিড নিতে থাকেন, এটি হয়তো তাদের গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ায়। তবে এটি নিশ্চিত করার জন্য আরও পরীক্ষার দরকার আছে।
কিন্তু অন্যান্য খাবার এবং সাপ্লিমেন্ট কতটা কার্যকরী? ‘প্রজনন ক্ষমতা বাড়ানোর খাবার” বলে কিছু কি আসলে আছে, যা দিয়ে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ানো যাবে?

ছবির উৎস, Getty Images
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
এই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য বন্ধ্যত্বের প্রধান কারণগুলো সম্পর্কে আগে জানা দরকার। যুক্তরাষ্ট্রে ১৫ শতাংশ পুরুষ কোন ধরণের জন্মনিরোধক ছাড়া যৌনমিলন করেও গর্ভসঞ্চার করতে পারেনি। এর অনেক সম্ভাব্য কারণ আছে। নারীর দিকের কথা বললে, তাদের ডিম্বাশয় থেকে হয়তো সুস্থ-সবল ডিম্বাণু তৈরি হয়নি, বা হয়তো এই ডিম্বাণু ডিম্বাশয় থেকে গর্ভাশয়ে যেতে পারেনি- কারণ এটি হয়তো ফেলোপিয়ান টিউবে আটকে গিয়েছিল।
আর ডিম্বাণু যদি সফলভাবে এই যাত্রা শেষও করতে পারে, এটি হয়তো গর্ভাশয়ের নালীতে নিজেকে আটকাতে পারেনি, বা আটকানোর পরও বাঁচেনি।
আবার পুরুষের দিকের কথা ভাবলে, শুক্রাণু কতটা সুস্থ সবল সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই শুক্রাণু কতটা দক্ষতার সঙ্গে চলতে পারছে, এর আকার এবং আকৃতি, এবং কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ বীর্যে কী পরিমাণ শুক্রাণু আছে ইত্যাদি।
শুক্রাণুর মান অনেকগুলো বিষয়ের ওপর নির্ভর করে, এর মধ্যে দূষণের মতো পরিবেশগত সমস্যাও আছে।
আবার অনেক সময় অনেক শারীরিক পরীক্ষার পরও বন্ধ্যত্বের কারণ হয়তো স্পষ্টভাবে জানা যায় না। ১৫ শতাংশ বন্ধ্যত্বের কারণ কোনভাবেই ব্যাখ্যা করা যায় না।
কোন একটা নির্দিষ্ট খাবার খেয়ে বা সাপ্লিমেন্ট নিয়ে এরকম সম্ভাব্য সমস্যা মোকাবেলা সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গর্ভধারণের চেষ্টা শুরু হওয়ার পর হতে পুরো প্রক্রিয়ার সময় স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়ার বিরাট উপকারিতা আছে।
পুষ্টিকর খাবার খাওয়া যে খুব গুরুত্বপূর্ণ সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। অপুষ্টির পরিণাম গর্ভস্থ শিশুর জন্য খুবই মারাত্মক হতে পারে।

ছবির উৎস, Getty Images
এক্ষেত্রে সবচেয়ে সবচেয়ে সুপরিচিত একটি গবেষণা হয়েছিল ১৯৪৪ সালে নেদারল্যান্ডসে। ‘ডাচ হাঙ্গার উইন্টার’ নামে পরিচিত এক খাদ্য সংকটের সময় সেখানে গর্ভধারণের পর যেসব শিশু জন্ম নেয় তাদের ওপর গবেষণাটি চালানো হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে নাৎসিরা যখন নেদারল্যান্ডসে খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দেয়, তখন সেখানে আট মাস ধরে এই খাদ্য সংকট চলে। তখন মা হতে চলেছেন এমন নারীরা দিনে মাত্র চারশো ক্যালরির খাবার খেতে পেতেন। স্বাস্থ্যসম্মত গর্ভধারণের জন্য যত ক্যালরি প্রয়োজন, তার চেয়ে এটি অনেক কম।
এই সময়ে গর্ভে আসা যেসব শিশু পরে জন্ম নেয়, তাদের নানা ধরণের বিরূপ স্বাস্থ্য সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। এই সময়ের আগে পরে গর্ভধারণ করে জন্ম নেয়া শিশুদের তুলনায় এসব শিশু ছিল খর্বাকৃতির এবং শীর্ণকায়, তাদের মাথার আকার ছিল ছোট। প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় তাদের মধ্যে মোটা হওয়ার ধাত অনেক বেশি ছিল, এবং ডায়াবেটিস ও স্কিজোফ্রেনিয়ার মতো রোগে তারা অনেক বেশি ভুগছিল। এদের মৃত্যুও হচ্ছিল অনেক কম বয়সে।
যাদের যথেষ্ট পরিমাণ খাবার খাওয়ার সুযোগ আছে, তাদের বেলায় কিন্তু সব ধরণের খাবার সঠিক মাত্রায় খাওয়াটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এরকম উপকারী খাবারের কথা যখন বলা হয়, তখন কেবল নারীদের প্রজনন ক্ষমতা বাড়ানোর দিকেই মনোযোগ দেয়া হয়। কিন্তু পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতার ক্ষেত্রেও যে খাবার বেশ গুরুত্বপূর্ণ, সেটি নিয়ে সচেতনতা ক্রমশ বাড়ছে।
২০১৫ সালে আইভিএফ চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এমন দম্পতিদের ওপর একটি গবেষণা চালানো হয়। এতে দেখা যায়, পুরুষরা যখন মাংস খায়, বিশেষ করে কী ধরণের মাংস তারা খায়, সেটি তাদের প্রজনন সক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। হাঁসমুরগির মাংস বেশি খেলে ভ্রূণ নিষিক্ত হওয়ার হারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে, অন্যদিকে বেকন বা সসেজের মতো প্রক্রিয়াজাত করা মাংস বেশি খেলে এর প্রভাবটা হয় নেতিবাচক।

ছবির উৎস, Getty Images
যে পুরুষেরা প্রক্রিয়াজাত করা মাংস সবচেয়ে কম খেয়েছে, সঙ্গিনীকে গর্ভসঞ্চারে তাদের সাফল্যের সম্ভাবনা ছিল ৮২ শতাংশ। আর যে পুরুষেরা প্রক্রিয়াজাত করা মাংস সবচেয়ে বেশি খেয়েছে, তাদের সম্ভাবনা ছিল ৫৪ শতাংশ।
এমনকি গর্ভসঞ্চারের পরও একজন বাবা কী খাবার-দাবার খাচ্ছেন, তা পরোক্ষভাবে তার ভূমিষ্ঠ না হওয়া সন্তানের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির একদল গবেষকের চালানো পরীক্ষায় দেখা যায়, একজন বাবা যে ধরণের খাবার-দাবার খান, সেটি ভবিষ্যতে জন্ম নেয়া তার শিশুর স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলে। এই গবেষক দলটি প্রায় দুশো দম্পতির প্রতিদিনের খাবার-দাবারের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখেছে, যারা অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে সবচেয়ে বড় মাতৃ-স্বাস্থ্য ক্লিনিকে গর্ভস্থ শিশুর জন্য সেবা-যত্ন নিচ্ছিল। গবেষকরা দেখেছেন, পুরুষরা কী খাচ্ছে, তা তাদের সঙ্গী নারীর স্বাস্থ্যে বেশ জোরালো প্রভাব ফেলছে, যেটি কিনা আবার সেই নারীর গর্ভের শিশুর ওপর প্রভাব ফেলছে। অন্যান্য গবেষণায় দেখা গেছে, একজন বাবার শারীরিক ওজন কত, সেটির প্রভাব পড়তে পারে পরবর্তী প্রজন্মের ওপর, শিশুর ওজন কী হবে তা ওপর।

ছবির উৎস, Getty Images
“প্রজননের জন্য পুরুষের স্বাস্থ্য এবং পুষ্টিও যে গুরুত্বপূর্ণ সেটা উপেক্ষা করা হয়”, বলছেন একজন পুষ্টিবিদ শেলি উইলকিনসন। ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের গবেষণার সঙ্গে তিনিও যুক্ত ছিলেন। এখন তিনি লাইফস্টাইল ম্যাটারনিটি বলে অস্ট্রেলিয়ার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে কাজ করেন।
তিনি বলছেন, একজন পুরুষের স্বাস্থ্য এবং খাদ্যাভ্যাস আসলে তার নাতি বা নাতনির স্বাস্থ্যের ওপর পর্যন্ত প্রভাব ফেলতে পারে।
শেলি উইলকিনসন বলেন, দম্পতিদের উচিৎ যে কোন সমস্যা একসঙ্গে মোকাবেলা করা।
“একজন যদি খাদ্য-পুষ্টি সংক্রান্ত নিয়ম-নীতি মেনে চলেন, অন্যজনও সম্ভবত সেটি করবেন। স্বাস্থ্যসম্মত পরিবর্তন আনার জন্য আমাদেরকে নারী এবং পুরুষ, দুজনের দিকেই মনোযোগ দিতে হবে। নইলে কিন্তু আমরা এই লড়াইয়ে অর্ধেক হেরে যাচ্ছি।”
একটি উপকারী পরিবর্তন হতে পারে দম্পতিদের নিত্যদিনের খাবারে চর্বি জাতীয় খাবারের পরিমাণ বাড়ানো- তবে এটি হতে হবে সঠিক ধরণের চর্বি। যেমন: বাদাম, বীজ, স্যামন, অ্যাভোক্যাডো এবং অলিভ অয়েল। তবে ট্রান্স ফ্যাটি এসিড, যা প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিমভাবে উৎপাদিত- এই দুই ধরণের উৎস থেকেই পাওয়া যায়- সেগুলো কিন্তু আবার বন্ধ্যত্বের ঝুঁকি বাড়ায় বলে বলা হয়। এরকম খাবারের মধ্যে আছে মার্জারিন, ডোনাট, ফ্রায়েড ফুড এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত করা খাবার।
প্রচুর শাক-সবজি এবং ফলমূল খেতে পারলে সেটিও বেশ উপকারী। হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথের গবেষকরা আট বছর ধরে ১৮ হাজার ৫৫৫ জন নারীর খাদ্যাভ্যাস পর্যালোচনা করে দেখেন। এই নারীরা গর্ভধারণের চেষ্টা করছিলেন বা গর্ভধারণ করেছেন। গবেষকরা দেখেছেন, যারা প্রাণীজাত আমিষের (যেমন লাল মাংস) পরিবর্তে উদ্ভিদজাত আমিষ (যেমন সিম, ডাল) খেয়েছেন, তাদের বেলায় গর্ভাশয়-সম্পর্কিত বন্ধ্যত্বের ঝুঁকি প্রায় ৫০ শতাংশ কম ছিল।
খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে নারীর বন্ধ্যত্বের সম্ভাব্য সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা চালিয়ে একদল গবেষক ২০২১ সালে তাদের গবেষণায় এই বলে উপসংহার টানেন যে, "খাদ্যাভ্যাস এবং পুষ্টি পুরুষ এবং নারী, উভয়ের প্রজনন ক্ষমতার ক্ষেত্রেই নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
গবেষকরা তাদের পর্যালোচনায় বিস্তারিতভাবে সব ধরণের পুষ্টি উপাদান এবং যেসব খাবারে তা পাওয়া যায়, তার বিস্তারিত তুলে ধরেন। মোটাদাগে তারা শাক-সবজি, ফলমূল, পাস্তা, লাল আটা বা লাল চাল, তৈলাক্ত মাছ, সিম, ডাল, ডিম এবং চর্বি-ছাড়া মাংস খাওয়ার ওপর জোর দেন। তারা আয়োডিনের কথাও উল্লেখ করেন, যেটি ভ্রূণের বিকাশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ছবির উৎস, Getty Images
মদ পানের বিষয়ে সব গবেষকরাই মোটামুটি একই মত দিয়েছেন। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল বলেছে, গর্ভাবস্থায় বা গর্ভধারণের চেষ্টার সময় মদ পানের আসলে কোন নিরাপদ মাত্রা বলে কিছু নেই। ওয়াইন, বিয়ার থেকে শুরু করে সব ধরণের মদের বেলাতেই এটা প্রযোজ্য। তাদের পরামর্শ, এটা একেবারেই পরিহার করে চলা।
যদি আপনার খাদ্যাভ্যাস এবং কিভাবে এটি প্রজনন ক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলে, তা নিয়ে কোন উদ্বেগ থাকে, তাহলে সবচেয়ে ভালো হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা। এবং কিছু খাদ্য যদিও প্রজনন ক্ষমতার ওপর বিরাট প্রভাব ফেলবে বলে বলা হচ্ছে, এগুলোর উপকারিতাকে অনেক বেশি বাড়িয়ে দেখানো ঠিক হবে না।
বন্ধ্যত্ব বেশ জটিল, এর কারণগুলোও জটিল। খাদ্যাভ্যাস নিয়ে অহেতুক চিন্তা করলে বরং মনের ওপর চাপ বাড়বে এবং সেই সঙ্গে নিজেকে দোষী মনে হবে। যারা সন্তান নেয়ার চেষ্টা করছেন, তাদের নিশ্চিতভাবেই এটা বলা যায় যে বন্ধ্যত্বের সমস্যাটি তারা কী খেয়েছেন বা কী খাননি তার সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
শেলি উইলকিনসন বলেন, যারা প্রজনন ক্ষমতা নিয়ে সমস্যায় আছেন, তারা সবসময় এমন একটা খাদ্যের সন্ধানে থাকেন যেটি খেলে সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু তাদের উচিৎ সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যসম্মত সুষম খাদ্যাভ্যাসের দিকে মনোযোগ দেয়া।
“প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে কথা হয় যেসব চ্যাটরুমে, সেখানে এরকম আলাপ অনেক শোনা যায় যে, যারা গর্ভধারণের চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য আনারস এক ম্যাজিক খাদ্য। কিন্তু আসলে এরকম একক কোন খাদ্য বা সাপ্লিমেন্ট নেই, যা কাজ করবে।”








