'আক্রান্ত হলে প্রতিহত করবে বিএনপি'

ছবির উৎস, বিবিসি বাংলা
দেশের সব কয়টি জাতীয় পত্রিকা জুড়ে আগামীকাল ২৮শে অক্টোবর বিএনপি-আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘিরে নানান সব খবরা-খবর।
BNP will resist if attacked ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম এটি। বলা হচ্ছে যদি বিএনপিকে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহাসমাবেশ করতে না দেয়া হয় তাহলে, তারা তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর কর্মসূচির দিকে যাবে। দলটির সূত্র জানাচ্ছে, অবস্থান কর্মসূচি, সড়ক ও জলপথ অবরোধের মতো বিষয় আছে আলোচনায়।
সেক্ষেত্রে সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় অন্তবর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে তাদের আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে, আর যদি শান্তিপূর্ণভাবে তাদের সমাবেশ করতে দেয়া হয় সেক্ষেত্রে দলটির নেতাকর্মীরা ঘরে ফিরে যাবে। দল থেকে জানানো হয়, তারা শান্তি চান কিন্তু তাদের উপর আক্রমণ হলে তারা সেটা প্রতিহত করতে প্রস্তুত।
এদিকে সমকালের শিরোনাম যে কোন পরিস্থিতিতে মাঠে থাকবে বিএনপি। নেতৃবৃন্দ বলছেন, যেখানে বাধা, সেখানেই প্রতিরোধ, রাখা হচ্ছে ঢাকাজুড়ে সমাবেশের বিকল্প প্রস্তুতি।
এরই মধ্যে নিজেদের অবস্থান প্রশাসনকেও জানিয়ে দিয়েছেন দলটির নেতারা। উদ্ভূত যে কোনো পরিস্থিতিতে নেতাকর্মীকে রাজপথে থাকার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে হাইকমান্ড। সমাবেশে বাধা দিলে বিকল্প প্রস্তুতিও চলছে দলটিতে। কোনো কারণে নয়াপল্টনে অনুমতি না দিলে ওই সময়ে পুরো ঢাকাকে সমাবেশের নগরীতে পরিণত করার উদ্যোগ নিয়েছে বিরোধী দল। এমনকি যেখানে বাধা আসবে, সেখানেই প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এ পরিস্থিতিতে সংঘাতেরও আশঙ্কা করছেন অনেকে।
দৈনিক যুগান্তর শিরোনাম করেছে সমাবেশের রাজধানী কাল।
এতে বলা হচ্ছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর পৃথক কর্মসূচি ঘিরে কাল মহাসমাবেশের নগরীতে পরিণত হবে রাজধানী ঢাকা। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট, নয়াপল্টন ও মতিঝিলের শাপলা চত্বর-এ সাড়ে তিন কিলোমিটার এলাকার মধ্যে সমাবেশ আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছে দল তিনটি। যদিও তাদের কাউকেই এখন পর্যন্ত পুলিশ অনুমতি দেয়নি। এ নিয়ে চলছে নানা নাটকীয়তা।
শক্তির মহড়ায় নামছে দুদলই – প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হচ্ছে ঢাকায় পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে কিছুদিন ধরেই মানুষের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা, তৈরি হয়েছে উদ্বেগ উৎকন্ঠা। মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরত্বে ঢাকার নয়াপল্টনে এবং জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে মহাসমাবেশ পাল্টা সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ।
Political parties stick to own venues for rallies - ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের শিরোনাম এটি। এতে বলা হয় পুলিশের বিকল্প ভেন্যুর প্রস্তাব অগ্রাহ্য করে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নিজেদের পছন্দের ভেন্যুতেই সমাবেশ করতে অনড়। যাতে করে উত্তেজনা বাড়ছে।
এদিকে মানবজমিনের শিরোনাম জামায়াত জানালো শাপলা চত্বরেই সমাবেশ হবে। খবরে বলা হয় রাজধানীর শাপলা চত্বরেই মহাসমাবেশ করার প্রস্তুতি নিয়ে এগুচ্ছে জামায়াত।
যদিও এ পর্যন্ত অনুমতি মেলেনি প্রশাসনের। দলটির নেতারা জানিয়েছেন মতিঝিলেই তারা সমাবেশ করতে চান। সমাবেশ শান্তিপূর্ণ হবে উল্লেখ করে নেতারা এজন্য সরকারের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন। পুলিশ প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, জামায়াতকে সমাবেশ করতে অনুমতি দেয়া হয়নি, হবেও না।
এদিকে সমাবেশ ঘিরে অভিযান, ধরপাকড় ও তল্লাশির বিভিন্ন ছবি ও খবরও এসেছে গণমাধ্যমগুলোতে।

ছবির উৎস, বিবিসি বাংলা
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
পুলিশ বলছে ঢাকায় ৩১১, বিএনপির দাবি সারা দেশে কয়েক হাজার আটক – ইত্তেফাকের শিরোনাম।
বিস্তারিত বলা হয় দুই দলের পালটাপালটি সমাবেশ ঘিরে সৃষ্টি হওয়া পরিস্থিতির মধ্যেই রাজধানীতে গত পাঁচ দিনে রাজনৈতিক মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত ৩১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এছাড়া বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত সারা দেশে ১১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর।
যদিও বিএনপি বলছে, তাদের কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর বাড়িতে তল্লাশি চলানো হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা যে ৩৩ জনকে গ্রেফতার করেছে তাদের অধিকাংশই ওয়ারেন্টভুক্ত। গণগ্রেফতারের বিষয়টি অস্বীকার করেছে পুলিশ।
যুগান্তরের আরেকটি খবর সর্বাত্মক প্রস্তুতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি ঘিরে বিরাজ করছে উত্তেজনা। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। এই পরিস্থিতিতে জামায়াতকে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না বলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপিকে অনুমতি দেওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক থাকলেও সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন পুলিশ।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সমাবেশ ঘিরে র্যাব-পুলিশের পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত থাকবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পরিস্থিতি তৈরি হলেই তারা অ্যাকশনে যাবে। ডিএমপি পক্ষ থেকেই প্রায় ২৫ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে রাজধানীজুড়ে।
শুক্র ও শনিবারের চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত – নয়া দিগন্তের খবর।
এতে লেখা হয় রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচির কারণে আজ শুক্রবার ও আগামীকাল শনিবারের চাকরির অধিকাংশ নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। তবে নিয়োগ প্রতিষ্ঠানগুলো অবশ্য রাজনৈতিক কর্মসূচির কথা সরাসরি উল্লেখ না করে বরং অনিবার্য কারণ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আজ শুক্রবার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা জনতা ব্যাংকের অফিসার (আরসি) পদের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তবে গত রাত ৯টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জনতা ব্যাংকের পরীক্ষা স্থগিতের খবর পাওয়া যায়নি।

ছবির উৎস, বিবিসি বাংলা
অনিয়ম আটকাতে না পারলে সারা দেশে ভোট বন্ধ – গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়ে সিইসির এমন বক্তব্য দিয়ে শিরোনাম কালের কন্ঠের।
তারা লিখেছে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে না হলে পুরো দেশে ভোট বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, নির্বাচনে অনিয়ম নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ভোট বন্ধ করে প্রিজাইডিং অফিসারকে কেন্দ্র ত্যাগের নির্দেশনা দেওয়া হবে। ভোট বন্ধ না করলে সেটিও ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের সভাকক্ষে গণমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সিইসি এ কথা বলেন।
তফসিল ঘোষণার পর থেকেই এই সরকার নির্বাচনকালীন সরকার – আইনমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে মানবজমিনের শিরোনাম।
বলা হচ্ছে নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, যখন নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করবে, তখন থেকে এই সরকার নির্বাচনকালীন সরকার। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার কোনো সুযোগ নেই জানিয়ে আনিসুল হক বলেন, বিএনপি-জামায়াত প্রতিবার নির্বাচন নষ্ট করার চেষ্টা করেছে। এছাড়া আনসারকে কোনো ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে না বলেও জানান তিনি। গতকাল সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান।
আনসারকে আটক ও তল্লাশির ক্ষমতা না দেয়ার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির – বণিক বার্তা শিরোনাম করেছে এটি। বলা হয় অপরাধী আটক, দেহ তল্লাশি ও মালপত্র জব্দে আনসার ব্যাটালিয়নকে ক্ষমতা দেয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। সংসদে উত্থাপিত বিলের এ-সংক্রান্ত ধারা সংশোধনের পর তা পাসের সুপারিশ করা হয়েছে কমিটির পক্ষ থেকে।
জাতীয় সংসদ ভবনে গতকাল অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। এর আগে আনসার বাহিনীকে তল্লাশি ও আটকের ক্ষমতা দেয়ার বিধান যুক্ত করে সংসদে বিলটি ওঠায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। পরদিনই স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী গণমাধ্যমকে জানান, চূড়ান্ত বিলে এ ধরনের বিধান থাকবে না।
End of বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন:

ছবির উৎস, বিবিসি বাংলা
কর্ণফুলী টানেল উদ্বোধন কাল, পরদিনই চলবে যান – দৈনিক সংবাদের শিরোনাম। বিস্তারিত বলা হয় চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশৈর প্রথম টানেলের উদ্বোধনের পরদিনই যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আগামীকাল ২৮শে অক্টোবর টানেলটি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে কাটছাঁট করা হয়েছে উদ্বোধন কর্মসূচি।
3 Killed, 10 hurt in Mohakhali high-rise fire – রাজধানীর মহাখালীতে ১৪তলা ভবন খাজা টাওয়ারের অগ্নিকান্ড নিয়ে ডেইলি স্টারের শিরোনাম। বলা হচ্ছে গতকাল বিকেলের পর লাগা আগুনে অন্তত ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে ও আহত হয়েছেন ১০ জন। এছাড়া টেলিকম ও ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হয়, কারণ ওই ভবনে বেশ কটি আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, ডেটা সেন্টার ও ইন্টারকানেশন এক্সচেঞ্জ রয়েছে।
আত্মীয়দের ডেকে ডেকে চাকরি দেন ঢাবি ভিসি! দৈনিক কালবেলার প্রধান শিরোনাম এটি। বলা হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকেই নানা কারণে বিতর্কিত হলেও কারও বিরুদ্ধেই বিভিন্ন পদে গণহারে আত্মীয়স্বজন নিয়োগের অভিযোগ শোনা যায়নি।
এ ক্ষেত্রে নতুন নজির স্থাপন করেছেন বর্তমান উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান। ছয় বছরের দায়িত্বকালে যেখানেই সুযোগ পেয়েছেন, সেখানেই নিজের এবং স্ত্রীর আত্মীয়স্বজনদের নিয়োগ দিয়েছেন। এই তালিকায় আছেন উপাচার্যের ভাগনে, ভাগনি জামাই; উপাচার্যপত্নী সালমা জামানের ভাতিজি, ভাইয়ের ছেলের বউ, ভাগনি জামাই, খালাতো বোনের মেয়েসহ প্রায় ৪০ জন। এর বাইরে আঞ্চলিকতা বিবেচনায় বিপুলসংখ্যক চাকরি দেওয়ার ঘটনা তো আছেই।

ছবির উৎস, বিবিসি বাংলা
অন্যান্য খবর
শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ হামলা হচ্ছে গাজায় – সমকালের শিরোনাম। গাজায় অব্যাহত ইসরায়েলি বর্বর হামলা একুশ শতকের সবচেয়ে ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ছোট ভূখণ্ডটিতে টানা ১৯ দিনে অন্তত ৭০০ স্থানে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী ব্রিটিশ সংস্থা এয়ারওয়ারসের তথ্য বলছে, গাজায় চালানো এখনকার হামলা আগের যে কোনো ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের তুলনায় চরম ভয়াবহ।
ফিলিস্তিনিদের ওপর বোমা হামলার ভয়াবহতা প্রতিহিংসাপরায়ণ আর সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যহীন। ফলে গোটা গাজায় বেসামরিক ফিলিস্তিনি নিহত হচ্ছেন। মাটিতে মিশে গেছে বহু আবাসিক এলাকা। গাজার মন্ত্রণালয়ের দেওয়া ৭ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহতের সংখ্যা বিচার-বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, ১৯৮২ সালের লেবানন যুদ্ধের পর এটিই ফিলিস্তিনিদের ওপর সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা।
শহরের দ্বিগুনের বেশি বেকার গ্রামে কালের কন্ঠের শিরোনাম এটি। বলা হয় দেশে বর্তমানে বেকারের সংখ্যা ২৫ লাখ ৮২ হাজার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেকার গ্রামে। সংখ্যায় তা ১৮ লাখ ১৩ হাজার। শহরে বেকারের সংখ্যা সাত লাখ ৬৯ হাজার। গত বুধবার প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২২ সালের শ্রমশক্তি জরিপের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘বাস্তবে বেকারের সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে। আমাদের বর্তমান যে শিক্ষাব্যবস্থা, এর চাহিদা বাজারে নেই বলে শিক্ষিত বেকার বেশি।’








