'বাছাইয়ে বাতিল ৭৩১ জনের প্রার্থিতা, বৈধ ঘোষণা ১৯৮৫ জনের মনোনয়নপত্র'

পত্রিকা

মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘বাছাইয়ে বাতিল ৭৩১ জনের প্রার্থিতা, বৈধ ঘোষণা ১৯৮৫ জনের মনোনয়নপত্র’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আসন্ন নির্বাচনে ৩০০ আসনে জমা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে ৭৩১ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তাদের মধ্যে ছয় জন বর্তমান সংসদ-সদস্যের মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়।

সোমবার বিকালে মনোনয়নপত্র যাচাই কার্যক্রম শেষ হয়েছে। মনোনয়নপত্র বাতিলের পর এখন বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯৮৫ জনে। এ নির্বাচনে ২৭১৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণখেলাপির দায়ে ১১৮ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ঋণ ও বিল খেলাপি, অসম্পূর্ণ মনোনয়নপত্র দাখিল, হলফনামায় তথ্য গোপন বা অসত্য তথ্য প্রদান, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এক শতাংশ ভোটারের তালিকায় ভুয়া স্বাক্ষর, দ্বৈত নাগরিকত্বসহ নানা ত্রুটির কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে অথবা যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে-উভয়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আজ থেকে নয়ই ডিসেম্বর পর্যন্ত আপিল করা যাবে।

আরও পড়তে পারেন
প্রথম আলো

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘আসন ভাগাভাগি নিয়ে অপেক্ষায় শরিকেরা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অবশেষে ১৪ দলীয় জোটের শরিকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের আসন সমঝোতার মাধ্যমে ভোট করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সোমবার জোট নেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে কোন কোন আসনে ছাড় দেবে ক্ষমতাসীন দল, সে ব্যাপারে জানানো হয়নি। সমঝোতার সুনির্দিষ্ট সময় বলা হয়নি। অপেক্ষায় রাখা হয়েছে শরিকদের।

প্রয়োজনে শরিকদের ক’টি আসনে ছাড় দেয়া হবে এ বিষয়ে কাজ করতে আওয়ামী লীগের চারজন নেতার সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন শিগগিরই আসন বন্টনের বিষয়ে সমঝোতা করে ফেলতে হবে। এরপরও কোথাও সমস্যা হলে তিনি দেখবেন।

আসন নিয়ে সমঝোতা হলে শরিকদলের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করবেন। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের প্রত্যাহার করে নেয়া হবে।

ঢাকা ট্রিবিউন
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

এদিকে বিএনপির পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকা ট্রিবিউনের প্রধান শিরোনাম, ‘BNP faces leadership void as challenges mount’ অর্থাৎ “চ্যালেঞ্জ বাড়তে থাকায় নেতৃত্ব শূন্যতার মুখে বিএনপি”।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিরোধী দলগুলো এক মাসেরও বেশি সময় ধরে অবরোধ-হরতালের মতো কঠোর আন্দোলন চালিয়ে গেলেও বিএনপির প্রধান নেতারা স্পষ্টতই অনুপস্থিত। দলের প্রথম সারির নেতারা কারাগারে থাকলেও বিএনপির বাকি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতারা আত্মগোপনে রয়েছেন।

দুই হাজার ষোলো সালের ১৯শে মার্চ, দলটির ষষ্ঠ কাউন্সিলের পর যেখানে বিএনপি দুই দফায় ৬০০ জনেরও বেশি সদস্যের সমন্বয়ে একটি কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করেছিল, বর্তমান সেই সংখ্যা ৫০২ জনে নেমে এসেছে।

বাকি ৯৮ জনের মধ্যে অনেকেই মারা গেছেন, অনেকে অসুস্থ আছেন, কেউ বহিষ্কৃত হয়েছেন এবং অন্যরা পদত্যাগ করেছেন। যেমন, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া গুরুতর অসুস্থ, দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটি সদস্যদের মধ্যে মির্জা আব্বাস ও আমির হাসরু মাহমুদ চৌধুরী কারাগারে রয়েছেন।

স্থায়ী সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন নীরব অবস্থানে আছেন। ব্যারিস্টার মোঃ জামিরুদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান এবং সেলিমা রহমান গত ২৮শে অক্টোবরের সংঘর্ষের পর থেকে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া থেকে বিরত রয়েছেন।

তারা ভার্চুয়াল মিটিংয়ে অংশ নিলেও কাউকেই জনসমক্ষে দেখা যায়নি।

নয়া দিগন্ত

নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির তৎপরতা নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘নির্বাচন ঘিরে বিশেষ পরিকল্পনা বিএনপির: কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে আন্দোলনের বিশেষ পরিকল্পনা করছে বিএনপি। আগামী ১৮ ডিসেম্বরের পর থেকে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে চলতি সপ্তাহ শেষে হরতাল-অবরোধ কর্মসূচিতে সাময়িক বিরতি দেয়া হতে পারে।

এখন ভোট ঠেকাতে নতুন ছকে আন্দোলন সংগ্রাম জোরদার করতে ফের রাজপথে সরব হতে চায় বিএনপি। এ লক্ষ্যে নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন উপায়ে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে।

আপাতত হরতাল-অবরোধের ফাঁকে ফাঁকে বিক্ষোভ-সমাবেশ জাতীয় কর্মসূচি দেয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। এ ছাড়া ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে কর্মসূচি দেয়া হবে।

এর আগে ১০ই ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবসে বিদেশীদের কাছে দেশের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরা হবে। ওই দিন রাজধানীতে মানববন্ধন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া বিএনপির কারাবন্দী, গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীর স্বজনদের নিয়ে বিভাগীয় পর্যায়ে মানববন্ধন করা হবে।

এছাড়া ১৭ই ডিসেম্বর পর্যন্ত হরতাল-অবরোধের পাশাপাশি পরিস্থিতি বিবেচনায় জনসম্পৃক্ত এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে চায় দলটি।

ডেইলি স্টার

নির্বাচনী আচরণবিধি ইস্যুতে দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর, ‘Election code breakers go unpunished’ অর্থাৎ ‘নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘণকারীরা শাস্তির আওতায় আসেনি’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচনের আগে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ব্যাপকভাবে চললেও নির্বাচন কমিশন এখনও নিয়ম লঙ্ঘণকারীদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারেনি।

নির্বাচনী আচরণবিধির ১৮ ধারায়, প্রার্থীরা নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করলে তাদের ছয় মাসের জেল বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিতের কথা বলা হয়েছে।

এ ধারায় রাজনৈতিক দলগুলোকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করতে পারে ইসি।

কিন্তু এখন পর্যন্ত, কমিশনের কর্মকাণ্ড শুধুমাত্র ৬০ জনেরও বেশি প্রার্থীকে শুধুমাত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। যাদের বেশিরভাগই আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দলের অন্য নেতারা।

এই ধরনের দায়মুক্তি ভোগ করছে, বর্তমান এমপি ও মন্ত্রীসহ বড় প্রার্থীরা। নিয়মের তোয়াক্কা না করেই ইচ্ছামত নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন তারা।

কালের কণ্ঠ

জনপ্রশাসন নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, ‘ইউএনও-ওসিরা একই বিভাগে থাকছেন’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সারা দেশে বদলি হওয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) একই বিভাগে থাকছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাত দিয়ে কালের কণ্ঠের প্রতিবদনে বলা হচ্ছে, একই বিভাগে বদলির ফলে একজন বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে বদলির কাজটি সম্পন্ন করা যাচ্ছে।

অন্য বিভাগে বদলি করলে একাধিক কর্মকর্তা প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হবেন। এতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়ে ঝামেলা বাড়তে পারে। এ জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, গতকাল একযোগে ৪৭ জন ইউএনওকে বদলির প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনকালে আটটি বিভাগের প্রথম পর্যায়ে ৪৭ জন ইউএনওকে একই বিভাগের মধ্যে বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া সারা দেশে বিভিন্ন থানার ৩২৬ জন ওসির সম্ভাব্য তালিকা প্রস্তুত করে একই বিভাগে তাঁদের বদলির তোড়জোড় শুরু করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।

ইসি সূত্রে জানা যায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালে আটটি বিভাগের প্রথম পর্যায়ে ৪৭ জন ইউএনওকে প্রস্তাবিত কর্মস্থলে বদলির সম্মতির জন্য অনুরোধ করা হয়।

সমকাল

শ্রম আইন নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম ‘শ্রম আইন সংশোধন নিয়ে কী হচ্ছে’। খবরে বলা হচ্ছে, সংসদের শেষ অধিবেশনে পাস হওয়া ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিল-২০২৩’-এ সম্মতি দেননি রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। ফলে বিলটি আইনে পরিণত হচ্ছে না।

বিলে সম্মতি না দিয়ে পুনর্বিবেচনার জন্য সংসদে ফেরত পাঠিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। বর্তমান একাদশ সংসদের অধিবেশনের সম্ভাবনা না থাকায় বিলটি তামাদি হয়ে যাবে বলে সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরেই শ্রম আইনের সংশোধন চেয়ে আসছিল জাতিসংঘের শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা দেশগুলো।

বিশেষ করে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন প্রক্রিয়া সহজ করা, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় শ্রম আইন কার্যকর করাসহ শ্রম অধিকার-সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে চাপ ছিল বাংলাদেশের ওপর।

এদিকে সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেছেন, আইন সংশোধনের মাধ্যমে শ্রম অধিকার প্রতিষ্ঠায় যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে।

শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রকে তা জানানো হবে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শ্রমনীতির আলোকে বাংলাদেশে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি গত ২০ নভেম্বর শ্রম আইন সংশোধনের বিল ফেরত পাঠান। তবে তপন কান্তি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কিছু চাওয়া ছিল, সেগুলো পূরণ করার জন্যই সংস্কার বা আইনের পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছে।

বণিক বার্তা

শিক্ষা খাত নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘মাধ্যমিকে প্রশিক্ষিত ভালো শিক্ষকের হার কমছে’। এ খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে মাধ্যমিক পর্যায়ে দক্ষ ও যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত শিক্ষকের হার কমে আসছে বলে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে।

এক যুগ আগে ২০১১ সালেও দেশের মাধ্যমিক শিক্ষা খাতে নিয়োজিত শিক্ষকদের মধ্যে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ শিক্ষকের হার ছিল ৭৫ শতাংশের কিছু বেশি। এখন তা নেমে এসেছে প্রায় ৬৮ শতাংশে।

প্রশিক্ষিত ভালো শিক্ষক বলতে প্রধানত বিভিন্ন শিক্ষক ট্রেনিং ইনস্টিটিউট বা কলেজ থেকে প্রশিক্ষণ নেয়া শিক্ষকদের বোঝানো হয়ে থাকে।

ব্যানবেইসের প্রতিবেদনেও প্রশিক্ষিত শিক্ষক হিসেবে মূলত ব্যাচেলর অব এডুকেশন (বিএড), ব্যাচেলর অব ফিজিক্যাল এডুকেশন (বিপিএড), ব্যাচেলর অব এগ্রিকালচার এডুকেশন (বিএজিএড), মাস্টার্স অব এডুকেশন (এমএড) অথবা ডিপ্লোমা ইন এডুকেশন ডিগ্রিধারীদেরই বিবেচনা করা হয়েছে।

পুরনো দক্ষ শিক্ষকদের অবসর গ্রহণ ও নতুনদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় প্রায় এক যুগে এমন পরিসংখ্যানগত পার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে দাবি করছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড (মাউশি) কর্মকর্তারা।

যদিও শিক্ষকরা বলছেন, চাকরিরত প্রতিষ্ঠান থেকে বিএড ডিগ্রি অর্জনের জন্য ছুটি না পাওয়া এবং বেসরকারি কিছু প্রতিষ্ঠানের সনদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে জটিলতা থাকায় শিক্ষকদের অনেকেই বিএড ডিগ্রি নিতে পারছেন না।

যুগান্তর